No First Aid Polling Booth: চোখের নীচে তৈরি হল গভীর ক্ষত! ভোট দিতে এসে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার ৭৩-এর বৃদ্ধা! কী হল তাঁর সঙ্গে?
polling booth no first aid: বৃদ্ধার স্বামী তড়িঘড়ি বুথের ভেতর প্রাথমিক চিকিৎসার বা ফার্স্ট এইডের খোঁজ করেন। কিন্তু অভিযোগ, নির্বাচন কেন্দ্রের ভেতরে কোনও মেডিকেল কিট বা প্রাথমিক চিকিৎসার কোনও সরঞ্জামই ছিল না। বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের কাছেও এ ব্যাপারে কোনও সহায়তা মেলেনি।

বীরভূম: বয়স ৭৩! স্বামীর সঙ্গে ভোট দিতে এসেছিলেন। কিন্তু কোনওভাবে হোঁচট খেয়ে পড়ে যান। গরুতর চোট লাগে চোখের নীচে। চোখের নীচটা কেটে গলগল করে রক্ত বেরোতে থাকে। কিন্তু ন্যূনতম কোনও পরিষেবা পেলেন না বুথে। ভোট দিতে এসে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকলেন বৃদ্ধা। ঘটনাটি বীরভূমের রামপুরহাটের ১২৭ ও ১২৮ নম্বর বুথের। রেলওয়ে ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন ওই বৃদ্ধা।
ঘটনার সূত্রপাত
সকালে স্বামীর হাত ধরেই এসেছিলেন ভোট দিতে। কিন্তু বুথের ঢোকার রাস্তা মসৃণ ছিল না। হঠাৎই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। এতে তাঁর চোখের তলায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি, হাত ও পায়েও চোট পান তিনি।
বৃদ্ধার স্বামী তড়িঘড়ি বুথের ভেতর প্রাথমিক চিকিৎসার বা ফার্স্ট এইডের খোঁজ করেন। কিন্তু অভিযোগ, নির্বাচন কেন্দ্রের ভেতরে কোনও মেডিকেল কিট বা প্রাথমিক চিকিৎসার কোনও সরঞ্জামই ছিল না। বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের কাছেও এ ব্যাপারে কোনও সহায়তা মেলেনি।
এই পরিস্থিতিতে কার্যত অসহায় হয়ে পড়েন বৃদ্ধা ও তাঁর পরিবার। চিকিৎসা পরিষেবার কোনও ব্যবস্থাই না থাকায়, চরম শারীরিক যন্ত্রণা ও চোখের তলার কাটা দাগ নিয়েই কোনওমতে নিজের ভোটদান সম্পন্ন করেন তিনি। ভোট শেষে রক্তাক্ত অবস্থাতেই তাঁকে বাড়ি ফিরতে হয়।
এই ঘটনায় ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত মেডিক্যাল পরিকাঠামো না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় ভোটাররা। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের এমন গাফিলতি বা প্রস্তুতির অভাবকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এলাকায়।
