Swapna Barman Rajganj: ‘যাঁকে ইচ্ছা ভোট দিন!’, হঠাৎ আজকের দিনে কেন বললেন TMC প্রার্থী স্বপ্না বর্মন?
Rajganj Assembly election: মা ও দুই দাদাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে বুথে পৌঁছন স্বপ্না। ভোট দেওয়ার আগে উপস্থিত সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা যাকে খুশি তাকেই ভোট দিন।” একজন প্রার্থী হয়েও ভোটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে, গণতন্ত্রে মানুষের পছন্দের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া— এমন সৌজন্যবোধ সচরাচর রাজনীতির আঙিনায় দেখা যায় না, অন্তত তেমনটাই বলছেন বিশ্লেষকরা।

জলপাইগুড়ি: একেই হয়তো বলে ‘স্পোর্টস ম্যান স্পিরিট’! তিনি নিজে রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী, কিন্তু তিনি ভোটারদের বললেন, যাকে ইচ্ছা ভোট দিন! তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে বুথে পৌঁছন। কিন্তু যে দৃশ্য এদিন নজরে এল, তা সত্যিই বিরল। প্রার্থী হয়েও নিজের হয়ে ভোট প্রচার না করে তিনি দেখালেন প্রকৃত ‘স্পোর্টসম্যান স্পিরিট’।
এদিন মা ও দুই দাদাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে বুথে পৌঁছন স্বপ্না। ভোট দেওয়ার আগে উপস্থিত সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা যাকে খুশি তাকেই ভোট দিন।” একজন প্রার্থী হয়েও ভোটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে, গণতন্ত্রে মানুষের পছন্দের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া— এমন সৌজন্যবোধ সচরাচর রাজনীতির আঙিনায় দেখা যায় না, অন্তত তেমনটাই বলছেন বিশ্লেষকরা। খেলার মাঠের নিয়ম মেনে তিনি যেমন প্রতিপক্ষকে সম্মান দিতে জানেন, রাজনীতির ময়দানেও তিনি সেই সৌজন্য বজায় রাখলেন।
ভোটদানের পর্ব মিটিয়ে নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ জানান তিনি। বুথের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “মানুষের রায়ই শেষ কথা।” তাঁর এই আচরণ ও বিনয়ী মনোভাব এখন এলাকাবাসীর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। রাজনীতির উত্তপ্ত আবহে স্বপ্না বর্মনের এই ‘স্পোর্টসম্যান স্পিরিট’ সুস্থ ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির বার্তা দিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
