Suvendu Adhikari: নরেন্দ্র মোদী কেন তারকেশ্বরে আসছেন? ব্যাখ্যা দিলেন শুভেন্দু
CM Suvendu Adhikari at Tarakeshwar: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "যেহেতু শ্রাবণী মেলা সামনে, তাই এবারে বাবা তারকনাথের পবিত্র ভূমি এই তারকেশ্বরে শ্রাবণ মাসে যেসব পুণ্যার্থীরা আসেন, তাঁদের জন্য বড় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে সরকারের তরফে। তারকেশ্বর মন্দিরকে কেন্দ্র করে আমরা কিছু কাজ করব।"

তারকেশ্বর: রাজ্যে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে বাংলায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ২০ জুন ফের বাংলায় আসছেন তিনি। তারকেশ্বর প্রশাসনিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর তারকেশ্বরে আসার কারণ ব্যাখ্যা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার তারকেশ্বরে এসে তিনি বলেন, “তারকেশ্বর ঐতিহাসিক জায়গা।” একইসঙ্গে এদিন তিনি জানান, তারকেশ্বর উন্নয়ন পরিষদ ভেঙে প্রশাসক নিযুক্ত করছে রাজ্য সরকার। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এদিনের আন্দোলনকেও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু।
কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু?
এদিন তারকেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে দলীয় বিধায়ক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক থেকে বেরনোর পর প্রধানমন্ত্রীর তারকেশ্বর আসার কথা জানান তিনি। বলেন, “তারকেশ্বর ঐতিহাসিক জায়গা। ১৯৪৬ সালের ৪ থেকে ৬ এপ্রিল এখানে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের ভারতভুক্তির রেজোলিউশন পাশ হয়েছিল। যার ফলে ১৯৪৭ সালের ২০ জুন আমরা বাঙালি হিন্দুদের হোমল্যান্ড পেয়েছিলাম। এবং আমাদের পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশে যেতে হয়নি। আমরা ভারতে বসবাস করতে পারছি। বাবা তারকনাথের দর্শন করতে পারছি। বাবার মাথায় জল ঢালছি। কপালে চন্দন লাগাতে পারছি। তারকেশ্বর ঐতিহাসিক জায়গা এবং সামনে ২০ জুন। এটা নিয়ে আমাদের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। আগামিকাল ক্যাবিনেট বৈঠক রয়েছে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রীর কিছু ঘোষণা করা ঠিক নয়।”
মুখ্যমন্ত্রী আর জানান, “তারকেশ্বর ট্রাস্টি বোর্ডের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করা হয়েছে। আজকেই মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং প্রধান সচিবকে নির্দেশ দেব। এডিএম জেলা পরিষদ অনুজ প্রতাপ সিংকে আমরা প্রশাসক করছি।যেহেতু শ্রাবণী মেলা সামনে, তাই এবারে বাবা তারকনাথের পবিত্র ভূমি এই তারকেশ্বরে শ্রাবণ মাসে যেসব পুণ্যার্থীরা আসেন, তাঁদের জন্য বড় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে সরকারের তরফে। তারকেশ্বর মন্দিরকে কেন্দ্র করে আমরা কিছু কাজ করব। এই পবিত্র দুধ পুকুর পাড়ে কী সব রং করে রেখেছে। রং পরিবর্তন আগে করা দরকার। আধ্যাত্মিক বা আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই রং দরকার।”
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার হাতে সংবিধান নিয়ে হাঁটা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমাকে একটা ছবি পাঠিয়েছিল একজন। দেখলাম। এত দুরবস্থা দেড়শো লোক আসেনি। সাংবাদিক ছিলেন ২০০ জন।সাংবাদিকরা না থাকলে আরও করুণ অবস্থা হত। রাজ্যসভা-লোকসভা মিলে এতগুলো সাংসদ। শুনলাম তিনজন সাংসদ, ৬ জন বিধায়ক গিয়েছিলেন। ওই দলটার অবস্থা ফলতার মতো হয়ে গিয়েছে।” এদিন জেলা প্রশাসনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে জেলায় প্রথম আগমনের জন্য এই গার্ড অব অনার।
