AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

IPL Final: ১ মিনিটে ৫,২০০ অর্ডার, আইপিএল ফাইনালে ৪১% বৃদ্ধি পেল সুইগি-জোম্যাটোর বিক্রি!

IPL 2026 Final: কেউ কেউ শহরের বড় বড় রেস্তোরাঁগুলিতে গিয়ে খেলা দেখতে দেখতে খাবার খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, আইপিএল ২০২৬ চলাকালীন সুইগি ডাইনআউট বুকিং আগের সিজনের তুলনায় ৪১% বেড়েছে। এমনকি ফাইনালে শুধুমাত্র বেঙ্গালুরুতেই ৩২% বুকিং বৃদ্ধি পেয়েছিল।

IPL Final: ১ মিনিটে ৫,২০০ অর্ডার, আইপিএল ফাইনালে ৪১% বৃদ্ধি পেল সুইগি-জোম্যাটোর বিক্রি!
স্ক্রিনে ম্যাচ, সামনে খাবারের প্লেট!Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Jun 02, 2026 | 7:26 PM
Share

কলকাতা : একদিকে চলছে আইপিএল ফাইনাল (IPL Final)। মাঠে চার-ছক্কার ফুলঝুরি ফোটাচ্ছেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli), দেবদত্ত পাদিক্কালরা (Devdutt Padikkal)। আর এদিকে , অর্থাৎ মাঠের বাইরে চলছে আরও একটা খেলা। সারা দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্তরা ম্যাচ দেখার রাতটা রীতিমতো উৎসবে পরিণত করেছিলেন। এর ফলে, আইপিএল ২০২৬ চলাকালীন ফুড ডেলিভারি ও রেস্তোরাঁ বুকিং এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে।

সুইগির (Swiggy) প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী, আইপিএল ২০২৫-এর তুলনায় সুইগিতে এই প্ল্যাটফর্মে ফুড ডেলিভারির অর্ডার ৩২.৩১% বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার ‘সুইগি ডাইনআউট’-এর মাধ্যমে রেস্তোরাঁ বুকিং গত বছরের তুলনায় ৪১% বেড়েছে। সবথেকে বেশি সাড়া পাওয়া গিয়েছিল আইপিএলের প্লে-অফ-এর ম্যাচগুলোতে। ২৯ ও ৩১ মে কোয়ালিফায়ার ও ফাইনাল ম্যাচ দেখার সময় বেঙ্গালুরু, মুম্বই ও হায়দরাবাদে সবথেকে বেশি খাবার অর্ডার করা হয়। এমনকি সুরাট, তিরুবনন্তপুরম এবং ভাদোদরার মতো ছোট কিন্তু দ্রুত বাড়তে থাকা শহরগুলোতে খাবারের প্রচুর চাহিদা দেখা গিয়েছিল।

ক্রিকেটের মতোই মিষ্টি বা ডেজার্ট আইটেমগুলোও সমান জনপ্রিয় প্রমাণিত হয়েছিল। এই দুটি বড় ম্যাচের সময় ডেজার্টের তালিকায় সবথেকে উপরে ছিল চকো লাভা কেক, টেন্ডার কোকোনাট বা কচি ডাবের আইসক্রিম, রসমালাই ইত্যাদি। খাবারের মধ্যে চিকেন বিরিয়ানি, চিকেন ফ্রায়েড রাইস ও ভেজ বার্গার সবচেয়ে বেশি অর্ডার করা হয়েছে। এছাড়াও বেশি বিক্রি হয়েছে পাও ভাজি, চিকেন পপকর্ন ইত্যাদি খাবার। এমনকি ২৯মে অর্থাৎ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের দিন একটি রেকর্ড হয়ে যায়। রাত ৮.১২ মিনিটে মাত্র এক মিনিটে অর্ডারের সংখ্যা ৫২০০ পার হয়ে যায়। ওই ম্যাচের সবচেয়ে বড় অর্ডারটি করেছিলেন গুরুগ্রামের একজন গ্রাহক, যিনি ২০,২০৫ টাকা খরচ করে একসাথে ৪৫টি স্পেশাল ভেজ থালি অর্ডার করেছিলেন।

এর দুই দিন পর, অর্থাৎ ফাইনাল ম্যাচের দিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও গুজরাট টাইটান্সের মধ্যকার আইপিএল ফাইনাল ম্যাচটি খাবারের চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের তুলনায় অর্ডার ৩০% বেড়েছে। ফাইনালে প্রতি মিনিটে ১,৩০০টিরও বেশি অর্ডার। এই উন্মাদনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় সন্ধ্যা ৭.৫৬ মিনিটে, যখন মাত্র এক মিনিটে ৬২০০-রও বেশি অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। কেউ কেউ শহরের বড় বড় রেস্তোরাঁগুলিতে গিয়ে খেলা দেখতে দেখতে খাবার খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, আইপিএল ২০২৬ চলাকালীন সুইগি ডাইনআউট বুকিং আগের সিজনের তুলনায় ৪১% বেড়েছে। এমনকি ফাইনালে শুধুমাত্র বেঙ্গালুরুতেই ৩২% বুকিং বৃদ্ধি পেয়েছিল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আইপিএল ২০২৬ শুধু ক্রিকেট মাঠেই চার-ছক্কার বন্যা বইয়ে ফেলেনি, মানুষ খাবার টেবিলেও একইভাবে ম্যাচ এনজয় করেছে। এই জিনিসটাই প্রমান করেছে, খেলা দেখতে দেখতে খাওয়া ভারতীয়দের এখনও একটা ভাল স্বভাব।

Follow Us