গোটা গায়ে কালি মাখিয়ে অপমান! পরকীয়া করে চরম পরিণতি ধর্মেন্দ্রর
Retro Gossip: অভিনেত্রীর বাবা জন্মের পরই তাঁকে ফেলে দিয়ে যায় এক অনাথ আশ্রমের দরজায়। যদিও ভাগ্যের জোরে তিনি ঠিকই পৌঁছে গিয়েছিলেন লাইট-সাইন্ড-অ্যাকশন ফ্লোরে। ৯০টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি।

মীনা কুমারী, বলিউডের অন্যতম চর্চিত নায়িক। যাঁকে পাওয়া পরিচালক, অভিনেতাদের কাছে স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন সুন্দরীর পর্দার জীবন যত না রঙিন ছিল, তার থেকে অনেক বেশি কঠিন ছিল ব্যক্তি জীবন। জন্মের পরই ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের স্বীকার হতে হয় তাঁকে। অভিনেত্রীর বাবা জন্মের পরই তাঁকে ফেলে দিয়ে যায় এক অনাথ আশ্রমের দরজায়। যদিও ভাগ্যের জোরে তিনি ঠিকই পৌঁছে গিয়েছিলেন লাইট-সাইন্ড-অ্যাকশন ফ্লোরে। ৯০টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। ব্যক্তি জীবনে মন দিয়েছিলেন কমল আমরহিকে। যদিও তিনি ছিলেন বিবাহিত। সম্পর্কের টান যতই গভীর হয় জুটির মধ্যে সমস্যা যেন ক্রমেই বাড়তে থাকে। একটা সময় তাঁদের প্রেম ভেঙে যায়। তারপর মীনা নিজের জীবনে এগিয়ে গেলেও কমল তাঁর প্রেমে অস্থির হয়ে উঠেছিলেন।
এমনই সময় শোনা যায় ধর্মেন্দ্রকে মন দিয়েছেন মীনা কুমারী। যদিও সেই প্রসঙ্গে মীনা কখনও মুখ না খুললেও পরিস্থিতি বারবার তা প্রমাণ করেছে। মীনার প্রতি ধর্মেন্দ্রর ভালবাসা মুহূর্তে সকলের নজর কাড়ে। পর্দায় তাঁদের জুটির রোম্যান্স বারবার চর্চার কেন্দ্রে জায়গা করে নিত। যা দেখে সহ্য করতে পারেননি কমল। তিনি স্থির করেন প্রতিশোধ নেবেন।
এরপর এক ছবিতে ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীকে কাস্ট করেন কমল। যেখানে হেমার পরিচালকের চরিত্রে পাঠ করছিলেন ধর্মেন্দ্র। তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়, গোটা গায়ে কালি মাখতে হবে, গায়ের রঙ কালো করার জন্য। গরমে মরুভূমিতে তাই করেন ধর্মেন্দ্র। যা দেখে একশ্রেণি কমলের কাজের প্রশংসা করে মন্তব্য করেন, একেই বলে একাগ্রতা। যদিও অপর শ্রেণির মত ছিল ধর্মেন্দ্রর ওপর প্রতিশোধ নিতেই এই কাজ করেছিলেন কমল।
