‘আমি আর মা আত্মহত্যা করব ভেবে নিয়েছিলাম’, ভয়ঙ্কর সত্যি সামনে আনলেন ঐন্দ্রিলা
ঐন্দ্রিলা সেন টেলিভিশনের ভীষণই জনপ্রিয় মুখ। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত ছবি 'নারী চরিত্র বেজায় জটিল' মুক্তি পেয়েছে। একটা পডকাস্টে ঐন্দ্রিলা তাঁর জীবনের ভয়ঙ্কর স্ট্রাগলের দিনগুলোর কথা বলছিলেন। খুব অল্প বয়সে তিনি বাবাকে হারান। হঠাত্ এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ঐন্দ্রিলার বাবার।

ঐন্দ্রিলা সেন টেলিভিশনের ভীষণই জনপ্রিয় মুখ। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত ছবি ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’ মুক্তি পেয়েছে। একটা পডকাস্টে ঐন্দ্রিলা তাঁর জীবনের ভয়ঙ্কর স্ট্রাগলের দিনগুলোর কথা বলছিলেন। খুব অল্প বয়সে তিনি বাবাকে হারান। হঠাত্ এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ঐন্দ্রিলার বাবার।
সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে নায়িকা বললেন, ”একটা সময়ে আমি আর মা ভেবেছিলাম আত্মহত্যা করে নেব। কীভাবে ইলেকট্রিক বিল দেওয়া হয়, কীভাবে এটিএম থেকে টাকা তোলে, কীভাবে ব্যাঙ্কের লকারে গয়না রাখা হয়, কিছু জানতাম না। এতটাই নির্ভরশীল ছিলাম বাবার উপর। যখন শ্মশানে বাবাকে ধরে বসে আছি, তখনও বলছি, ”ধূপকাঠি লাগবে? বাবাকে বলো, বাবা এনে দেবে…”। এতটাই নির্ভর করতাম বাবার উপর।” ঐন্দ্রিলা বলেন, কম বয়সে বাবাকে হারানোর বিষয়টা তাঁকে এক ঝটকায় অনেকটা বড় করে দেয়। এই ঘটনার সময়ও নায়ক অঙ্কুশের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন ঐন্দ্রিলা। তবে অঙ্কুশ ঘটনার দিনে বিদেশে শুটিং করছিলেন। ঠিক সেই দিনে এসে পৌঁছাতে পারেননি নায়ক। তবে চিরকালই ঐন্দ্রিলার পাশে থেকেছেন অঙ্কুশ। তাঁকে ভরসা জুগিয়েছেন।
এই সপ্তাহে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা জুটির ছবি ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’ মুক্তি পেল। সেই ছবিতে মেয়েদের মন বোঝার চেষ্টা করে চলেছেন নায়ক। আঁখি চরিত্রে দেখা যাবে ঐন্দ্রিলাকে। আঁখির প্রেমের পড়ে ঝন্টু। কীভাবে সে আঁখিকে পাবে, তা নিয়ে গল্প। তবে এই গল্পে নানা স্তর রয়েছে। রোম্যান্টিক কমেডি এই ছবি। এই বছরে মুক্তি পাওয়া প্রথম দু’টি বাংলা ছবির একটি ‘কীর্তনের পর কীর্তন’, আর একটি ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’।
