Aishwarya Salman breakup: সলমনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়েন ঐশ্বর্য?
Aishwarya's Professionalism: সলমন খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কীভাবে সেটে নিজের আবেগ লুকিয়ে কাজ করেছিলেন ঐশ্বর্য রাই? স্মৃতি হাতড়ালেন সহ-অভিনেত্রী সাদিয়া সিদ্দিকি। বিচ্ছেদের প্রভাব কী পড়ত কাজের ওপর? কী বললেন সহ অভিনেত্রী?

ঐশ্বর্য রাই (Aishwarya Rai) এবং সলমন খানের সেই বহুচর্চিত প্রেম এবং তারপরের তিক্ত বিচ্ছেদ, বলিউডের ইতিহাসে আজও অন্যতম বিতর্কিত অধ্যায়। তাঁদের প্রেম যখন বাস্তবে ভেঙে চুরমার , তখন ঠিক কেমন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন ‘প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী’? সেই কঠিন সময়ের এক অজানা দিক এবার প্রকাশ্যে নিয়ে এলেন অভিনেত্রী সাদিয়া সিদ্দিকি। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘শব্দ’ ছবিতে ঐশ্বর্যর সঙ্গে কাজ করেছিলেন সাদিয়া। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত জীবনের তীব্র ঝড় কীভাবে অদ্ভুত মানসিক শক্তিতে সামলেছিলেন বচ্চনবধূ।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাদিয়া পুরনো দিনের স্মৃতি হাতড়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, ছবির সেটে ঐশ্বর্যর ব্যক্তিগত জীবনের কোনও টানাপোড়েনের আঁচ বিন্দুমাত্র পড়তে দেননি তিনি। সাদিয়া বলেছেন, ছবিতে ঐশ্বর্যর সঙ্গে তাঁর সরাসরি কোনও দৃশ্য ছিল না। তাই অভিনেত্রীর খুব কাছাকাছি যাওয়ার বা তাঁর মনের খবর নেওয়ার সুযোগ ঘটেনি। কিন্তু দূর থেকে যা দেখেছেন, তাতেই তিনি মুগ্ধ।
সাদিয়ার কথায়, ব্যক্তিগত জীবনের এত বড় একটা ধাক্কা ঐশ্বর্য যেভাবে লুকিয়ে রেখেছিলেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সেটে তিনি আসতেন একেবারে তৈরি হয়ে। স্ক্রিপ্ট খুঁটিয়ে পড়ে, নিজের চরিত্রের মনস্তত্ত্ব বুঝে পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করতেন। প্রতিটি সংলাপ তাঁর মুখস্থ থাকত। কোনও ব্যক্তিগত অবসাদ বা আবেগের বিস্ফোরণ তাঁর কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তীব্র মানসিক চাপেও কীভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হয়, ঐশ্বর্য রাই তা করে দেখিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সনম’-এর সেট থেকে সলমন ও ঐশ্বর্যর প্রেমের শুরু। তবে ২০০২ সালের মধ্যেই সেই সম্পর্কে ইতি পড়ে। সলমন এখনও অবিবাহিত থাকলেও, ২০০৭ সালে অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বর্য। বিচ্ছেদের পর থেকে গত দু’দশকে এই দুই তারকা একে অপরকে নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছেন। ২০০২ সালের ‘হাম তুমহারে হ্যায় সনম’ ছবির পর তাঁদের আর কখনও একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতেও দেখা যায়নি।
