AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bigg Boss Bangla: বিগ বসের বাড়ি থেকে কী শিক্ষা পেয়েছেন সায়ক? জানালেন সবটা

Sayak Chakraborty: বিগ বসের ঘরে টিকে থাকার আসল মন্ত্র কী? কফি আর ডিম নিয়ে কাড়াকাড়ি থেকে শুরু করে ইলিশ মাছের ট্রেডিং, শো থেকে বেরিয়ে অন্দরমহলের হাঁড়ির খবর ফাঁস করলেন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী। কী কী গোপন কথা বলেছেন তিনি?

Bigg Boss Bangla: বিগ বসের বাড়ি থেকে কী শিক্ষা পেয়েছেন সায়ক? জানালেন সবটা
কী বলেছেন তিনি?
| Updated on: Sep 25, 2026 | 10:52 AM
Share

বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে হঠাৎ যদি এমন এক বন্দিদশায় পড়তে হয়, যেখানে এক কাপ কফি বা সামান্য একটা ডিমের জন্য রীতিমতো তুলকালাম বেঁধে যায়, তখন কেমন লাগবে? বিগ বসের ঘর প্রতিযোগীদের ঠিক এই বাস্তবের সঙ্গেই পরিচয় করায়। সদ্য এই রিয়্যালিটি শো থেকে ফিরেছেন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী। বাইরে বেরিয়েই নিজের ভ্লগে বিগ বসের অন্দরমহলের বেশ কিছু অজানা খবর ফাঁস করলেন তিনি। জানালেন, এই শো তাঁকে জীবনের বেশ কিছু বড় শিক্ষা দিয়ে গিয়েছে।

বিগ বসের ঘরে গেলে সব হিসেব উলটে যায়। অভিনেতার কথায়, “মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খুবই অল্প কিছু জিনিসের প্রয়োজন হয়। আমরা নিজেদের জীবনযাপনের জন্য খুবই বিলাসবহুল ভাবে থাকি, তবে ওখানে খুব ছোট ছোট জিনিসের জন্য আমরা ভাবতাম কী হবে!” সায়ক জানান, সেখানে কফি বা একটা ডিমের জন্য রীতিমতো মারপিট চলত। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছত যে, সপ্তাহের শেষে যাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি জমানো ডিম থাকত, তিনিই যেন ঘরের আসল রাজা!

ফলমূলের অভাব না থাকলেও বিগ বসের ঘরে মাছ-মাংস আসত লাক্সারি বাজেটে। আর তার জন্য রীতিমতো টাস্ক জিতে ঘাম ঝরাতে হত। এই খাবার নিয়েই বিগ বসের ঘরে শুরু হয়েছিল বিনিময় প্রথা! একবার একটি টাস্কে ঘরে ইলিশ মাছ আসে। তনুশ্রী ইলিশ খান না, কিন্তু সায়কের আবার ইলিশ ভারী পছন্দ। এদিকে সায়কের কাছে তখন সম্বল বলতে স্রেফ দুটো ডিম। সায়ক বলেন, “তনুশ্রী বলেছিল দুটো ডিম থেকে একটা ডিম আমাকে দিয়ে দিস আর আমার ভাগের মাছটা তুই খেয়ে নিস। আমি জাস্ট… দুখানা ইলিশ মাছের বদলে ওকে দুখানা ডিম দিয়েছি।” সায়ক জানান, শুধু তাঁরা নন, অনেকেই নাকি টাস্কের সময় এমন ‘ট্রেডিং’ করতেন।

দিন কয়েক আগেই সায়কের একটি কান্নার ভিডিয়ো দেখে সোশাল মিডিয়ায় জল্পনা ছড়িয়েছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন, বিগ বসের ঘরে হয়তো বড্ড কষ্টে আছেন তিনি। সেই জল্পনায় জল ঢেলে অভিনেতা স্পষ্ট জানান, শোয়ে তাঁর কোনও কষ্ট হয়নি। তাঁর কথায়, “এমন নয় যে আমি খুব কষ্টে ছিলাম… মায়ের সঙ্গে অনেকদিন দেখা করিনি না, তো সেই কষ্টটা ওভারঅল বেরিয়ে পড়েছে।” অর্থাৎ স্রেফ মায়ের জন্য মনখারাপ থেকেই কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি।

তবে বিগ বসের ঘরের একটি বিশেষ সুবিধা সায়কের ভীষণ মনে ধরেছে। সেখানে বেল বাজালেই ম্যাজিকের মতো দরকারি সবজি, ফল, ওষুধ বা মেরামতির জিনিসপত্র হাজির হয়ে যেত। সায়কের কথায়, “বেল বাজল মানে সপ্তাহের সমস্ত শাকসবজি, ফল চলে আসবে। শরীর খারাপের জন্য সবকিছু ওখানে দেওয়া ছিল।” বাইরে বেরিয়ে বাজার করার কোনও ঝক্কি সেখানে পোহাতে হত না।

আপাতত কলকাতায় ফিরে বৃষ্টির মধ্যে নিজের গাড়ি চালাতে চালাতে পুরনো দিনগুলো ফিরে দেখছেন সায়ক। বিগ বসের এই সফর তাঁর কাছে এক দারুণ অভিজ্ঞতা। তবে এমন আটকে থাকার মতো জায়গায় জীবনে হয়তো আর কখনও নিজেকে জড়াবেন না বলেই জানিয়েছেন অভিনেতা।

Follow Us