AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে রোজ খান এসব খাবার

সবচেয়ে আগে নজর দিন সবুজ শাকসবজিতে। পালং শাক বা মেথির মতো শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও নাইট্রেট। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা বলছে, নিয়মিত সবুজ সবজি খেলে রক্তনালী শিথিল থাকে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে স্ট্রোকের আশঙ্কা কমে। এরপরই আসে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের কথা।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে রোজ খান এসব খাবার
Image Credit: AI
| Updated on: Mar 20, 2026 | 4:13 PM
Share

আজকের ইঁদুর দৌড়ের জীবনে অনেকেই শরীরের খেয়াল রাখার সময় পান খুব কম। রক্তচাপ বা সুগার বাড়লে তাও আমরা কিছুটা সচেতন হন, কিন্তু নিঃশব্দে ‘স্ট্রোক’ যখন হানা দেয়, তখন আর ফেরার পথ থাকে না। চিকিৎসকেরা বলছেন, মস্তিষ্কের এই মারণ থাবা থেকে বাঁচতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে খাবার সঠিক রুটিন। কী খাচ্ছেন আর কী বাদ দিচ্ছেন, তার ওপরই নির্ভর করছে আপনার স্বাস্থ্য। সাম্প্রতিক বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।

স্ট্রোক থেকে বাঁচতে কী কী খাবেন?

সবচেয়ে আগে নজর দিন সবুজ শাকসবজিতে। পালং শাক বা মেথির মতো শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও নাইট্রেট। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা বলছে, নিয়মিত সবুজ সবজি খেলে রক্তনালী শিথিল থাকে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে স্ট্রোকের আশঙ্কা কমে। এরপরই আসে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের কথা। যাঁরা মাছ খেতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য সুখবর। ইলিশ, রুই বা কাতলা মাছের তেল ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। সপ্তাহে অন্তত দু’দিন মাছ খেলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলের পথ মসৃণ থাকে।

মিষ্টির বদলে এবার থেকে ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন। বিশেষ করে লেবু জাতীয় ফল বা বেরি। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, মোসাম্বি বা কমলালেবুতে থাকা ফ্লেভোনয়েডস স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। এছাড়া কলায় প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম থাকে। শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার। তবে শুধু ফল নয়, বিকেলে মুখরোচক হিসেবে ভাজাভুজির বদলে এক মুঠো আখরোট বা আমন্ড খান। এগুলি শরীরে ‘গুড কোলেস্টেরল’ বাড়াতে সাহায্য করে।

রান্নায় তেলের ব্যবহারে রাশ টানুন। অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভালো, কারণ এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রক্তনালীর প্রদাহ কমায়। চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে দিনে অন্তত এক কাপ গ্রিন টি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এটি কেবল মেদ ঝরায় না, মস্তিষ্কের কোষগুলিকেও সুরক্ষিত রাখে। তবে মনে রাখবেন, পিৎজা, বার্গার বা অতিরিক্ত নুন দেওয়া প্রসেসড খাবার কিন্তু আপনার অজান্তেই বিপদ বাড়াচ্ছে।

সুস্থ থাকতে গেলে ডায়েটে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবারের ভারসাম্য থাকা জরুরি। তাই আজ থেকেই প্লেটে সাজিয়ে নিন রঙিন সবজি, মাছ আর ফল। ছোট ছোট এই বদলগুলোই আপনাকে স্ট্রোকের অন্ধকার থেকে দূরে সরিয়ে এনে এক সুস্থ জীবনের দিকে নিয়ে যাবে।

Follow Us