AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

নিস্তার পাননি ঐশ্বর্য! তাঁর উপর বচ্চন পরিবারের এই নিয়মটি চাপিয়ে দেন শাশুড়ি জয়া

Aishwarya-Jaya: তিনি একান্নবর্তী পরিবারে জন্মাননি। বাবা-মা-ভাই--এই ছিল ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের পরিবার। বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করার পর ঐশ্বর্য এসে পড়লেন বিরাট বচ্চন পরিবারে। যে পরিবারের মূল্যবোধ প্রখর। তাঁর দাদাশ্বশুর হরিবংশ রাই বচ্চনের কিছু তৈরি করা প্রথায় চলে এই পরিবার। জয়া শেখাতে চেয়েছিলেন ঐশ্বর্যকে।

নিস্তার পাননি ঐশ্বর্য! তাঁর উপর বচ্চন পরিবারের এই নিয়মটি চাপিয়ে দেন শাশুড়ি জয়া
শাশুড়ি-বউমা।
| Updated on: Apr 03, 2024 | 2:02 PM
Share

বচ্চন পরিবারে পা দিতেই নতুন বউ ঐশ্বর্যর উপর একটি বিশেষ নিয়ম চাপিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর শাশুড়িমা অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। ঐশ্বর্যর শ্বশুরমশাই অমিতাভ বচ্চনের বাবা হিন্দি ভাষার বিখ্যাত কবি হরিবংশ রাই বচ্চন পরিবারকে প্রাধান্য দিয়েছেন শুরু থেকেই। দিনের এক নির্দিষ্ট সময়ে পরিবারের সকলকে এক হতেই হবে–এমনটাই কিন্তু গোড়া থেকে শ্বশুরবাড়িতে এসে প্রত্যক্ষ করেছেন জয়া বচ্চন। তিনি নিজেও ভাদুড়ি পরিবারের কন্য়া। তাঁর বাড়িতেও এই মূল্যবোধ ছিল প্রখর। সেরকমই এক মূল্যবোধকে পুত্রবধূ ঐশ্বর্যর মধ্যে সঞ্চালিত করতে চেয়েছিলেন জয়া। সেটি কী, জানেন?

২০০৭ সালে জুনিয়র বচ্চনকে বিয়ে করেন বিশ্বসুন্দরী এবং বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। ধুমধাম করে হয়েছিল সেই বিয়ে। গোটা দেশ দেখেছিল তারকা বিয়ের ঝলক। তারপর বচ্চন পরিবারে পা রাখেন ঐশ্বর্য। আগমনেই তাঁকে মাথায় করে রাখেন শাশুড়ি জয়া।

বউমা বিশ্বসুন্দরী বলে কথা, তায় অভিনেত্রী। প্রচুর সম্পত্তির মালিকও। রূপে লক্ষ্মী, গুণে সরস্বতী যাঁকে বলে। তেমন বউমা ঘরে আনতে পেরে জয়া কিন্তু খুব খুশিই ছিলেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেওছিলেন যে, ঐশ্বর্যকে বউমা হিসেবে পেয়ে তিনি কতখানি লাকি। বলেছিলেন যে, ঐশ্বর্যর মনে কোনও প্যাঁচ নেই। মনে যা, মুখেও তাই-ই থাকে তাঁর। কিন্তু বড়দের সম্মান করার ব্যাপারটা একটু যেন কম তাঁর মধ্যে।

জয়া জানিয়েছিলেন, তিনি নাকি ঐশ্বর্যকে বলেছিলেন, শ্বশুরবাড়িতে এলে একটু বড়দের মেনে চলতে হয়। ঐশ্বর্য তা অক্ষরে-অক্ষরে পালনও করেছেন। শাশুড়িকে নিরাশ করেননি একবিন্দুও। জয়া এও জানিয়েছিলেন, তিনি ঐশ্বর্যর পিছনে কোনওদিনও পলিটিক্স করেননি। ঐশ্বর্যকেও সেটা না করার পরামর্শই দিয়েছিলেন।

কিন্তু কিছু জিনিস ঐশ্বর্যর উপর চাপিয়েওছিলেন জয়া। যেমন তিনি বেঁধে দিয়েছিলেন কিছু নিয়ম, যা ঐশ্বর্যকে মানতেই হত। তা হল–খাবার টেবিলে বসা। রাতের বেলা, দিনের বেলা–যে কোনও সময়ই হোক না কেন ঐশ্বর্যকে কিন্তু সকলের সঙ্গে খাবার খেতেই হত। এটা বচ্চন পরিবারের একটি অলিখিত নিয়ম। এই নিয়ম থেকে নিস্তার পাননি খোদ ঐশ্বর্যও। যত ব্যস্ততাই থাক না কেন, তাঁকে খেতে হয়েছে সকলের সঙ্গেই। তাঁদের সময় মতো পৌঁছাতে হয়েছে খাবার টেবিলে।

Follow Us