Tiger Shroff Firing: হাতে লাল লাল ছোপ! টাইগারের অবস্থা দেখে শিউরে উঠছেন ভক্তরা
Tiger Shroff Injury Video: ১৮ অক্টোবর রাতে মুম্বইয়ের রাস্তায় ভয়ঙ্কর হামলা। অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে চলল এলোপাথাড়ি গুলি। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেও অভিনেতার হাতের অবস্থা রীতিমতো ভয়াবহ। প্রকাশ্যে এল সেই ভিডিয়ো, যা দেখে শিউরে উঠছেন অনুরাগীরা।

গত ১৮ অক্টোবর রাতের ঘটনা। মুম্বইয়ের জুহু এলাকায় আচমকাই টাইগার শ্রফের গাড়ির ওপর হামলা হয়। চলতে থাকে এলোপাথাড়ি গুলি। গুলি লাগে গাড়ির চালকের গায়ে। বরাতজোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন অভিনেতা। কিন্তু তাঁর হাতে মারাত্মক চোট লেগেছে। প্রিয় তারকার ওপর এমন ভয়াবহ হামলায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা।
কেমন আছেন অভিনেতা?
সম্প্রতি অভিনেতার টিম একটি ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়েছে। পরে অভিনেতার মা আয়শা শ্রফও সেটি নিজের স্টোরিতে দেন। সেই ভিডিয়োয় টাইগারের হাতের অবস্থা দেখে রীতিমতো শিউরে উঠছেন সকলে। গোটা হাতে লাল লাল ছোপ। বারুদ আর গাড়ির জানলার কাঁচ ভেঙে এই ক্ষত তৈরি হয়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘ঈশ্বর দয়ালু’। ভিডিয়ো দেখে অনুরাগীরা অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। কেউ লিখেছেন, “তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠো, মহাদেব তোমার সঙ্গে আছে।” কারও আবার মন্তব্য, “ভগবান সব সময় তোমার সঙ্গে আছে, অনেক ভালোবাসা।”
অন্যদিকে, এই ঘটনার তদন্তে নেমে একের পর এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য পাচ্ছে মুম্বই পুলিশ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা আগে থেকেই শহরে গুলি চালানোর প্র্যাকটিস করেছিল। এক অভিযুক্ত দু’টি এবং অন্য জন একটি গুলি চালায়। আন্ধেরির একটি হোটেলের ঘরে বসে অস্ত্র পরীক্ষা করার সময় বিছানায় গুলিও চালিয়ে ফেলে তারা।
View this post on Instagram
হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে রাজস্থানের কোটা থেকে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার ভোর ৩টে নাগাদ তাদের মুম্বইয়ে আনা হয় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর এসপ্ল্যানেড আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের নাম ফুল সিং, হৃতিক কুমার এবং রেহান আনসারি। পুলিশি জেরায় প্রত্যেকের আলাদা ভূমিকা এবং গোটা ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য তাদের আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
পাশাপাশি হরিয়ানা ও দিল্লি থেকে আরও পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিন জন পুরুষ এবং দু’জন মহিলা। ডেপুটি কমিশনার রাজ তিলক রোশন জানান, ধৃতদের মধ্যে দুই পুরুষ অভিযুক্ত অমৃতসর থেকে অস্ত্র জোগাড় করে ট্রেনে করে মুম্বইয়ে নিয়ে আসে। আর ওই দুই মহিলাকে সেই অস্ত্র বহন করে শহরে আনার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে তারাই শুটারদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়। তৃতীয় পুরুষ অভিযুক্ত শুটারদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল।
তবে এখনও পর্যন্ত হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। প্রমাণ লোপাট করতে অভিযুক্তরা নিজেদের মোবাইল ফোন নষ্ট করে ফেলেছে। ঘটনার পেছনের মূল চক্রীদের ধরতে জোরকদমে তদন্ত চলছে।
