Madan on Debolina nandy: ‘…অসামাজিক লোকজন অসভ্যতা করার চেষ্টা করেছিল’, রাত ৩ ফোন করে মদনকে কী বলেছেন দেবলীনা?
Madan Mitra: বিধায়ক এও জানিয়েছে, যে চিকিৎসক তাঁকে দেখেন সেই একই ডাক্তার দেখছেন অতনুকে। তিনি বলেন, "অতনু পাল আমারও ডাক্তার। সেই ওকে দেখছে। মেন্টাল চাপ নিতে বারণ করেছে। খুব বেশি মোবাইল ঘাটতে বারণ করেছে। গান হয়ত গেয়ে দিতে পারবে। কিন্তু মানসিক উন্নতিটা দরকার। চিকিৎসার ব্যাপারে কথা হয়েছে। আমি ওকে বলেছি,সুস্থ হয়ে কামারহাটিতে আগে অনুষ্ঠান করতে।"

কলকাতা: দাম্পত্য কলহের জের। ৭৮ টি ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিজেকে শেষ করার চেষ্টা করেছিলেন গায়িকা, অভিনেত্রী দেবলীনা নন্দী। কাঠগড়ায় স্বামী প্রবাহ নন্দী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। আর তারপর থেকেই উত্তাল হয়েছে সমাজ মাধ্যম। বর্তমানে হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন গায়িকা। আর তাঁকে দেখতে গিয়েছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। দেবলীনা সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি যাঁরা তাঁকে নিয়ে ট্রোল করছে তাঁদের উদ্দেশ্য়েও বার্তা দিয়েছেন তিনি।
কামারহাটির বিধায়ক জানিয়েছেন, দেবলীনা তাঁর পূর্ব পরিচিত। এর আগে গায়িকা সমস্যায় পড়েছিলেন, সেই সময় মদন মিত্রকে ফোন করেছিলেন তিনি। তৃণমূল বিধায়ক একটি সংবাদ-মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই মেয়েটিকে আমি চিনি। কয়েকদিন আগে বনগাঁয় গিয়েছিল অনুষ্ঠান করতে। তখন খুব সিরিয়াস প্রবলেম হয়। কিছু অসামাজিক লোকজন অসভ্যতা করার চেষ্টা করেছিল। রাত তিনটেয় আমাকে ফোন করে। যাক সেটা মিটে গেছে। এমএলএ এমপিরা সাহায্য করে।”
বিধায়ক এও জানিয়েছে, যে চিকিৎসক তাঁকে দেখেন সেই একই ডাক্তার দেখছেন অতনুকে। তিনি বলেন, “অতনু পাল আমারও ডাক্তার। সেই ওকে দেখছে। মেন্টাল চাপ নিতে বারণ করেছে। খুব বেশি মোবাইল ঘাটতে বারণ করেছে। গান হয়ত গেয়ে দিতে পারবে। কিন্তু মানসিক উন্নতিটা দরকার। চিকিৎসার ব্যাপারে কথা হয়েছে। আমি ওকে বলেছি,সুস্থ হয়ে কামারহাটিতে আগে অনুষ্ঠান করতে।”
দেবলীনা ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পর প্রচুর মানুষ যেমন তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তেমনই কিছু মানুষের ট্রোলের শিকার হচ্ছেন তিনি। বারবার প্রশ্ন উঠছে দেবলীনার এতগুলো ঘুমের ওষুধ খাওয়া নিয়ে। এই নিয়ে কড়া জবাব দিলেন মদন। বললেন, “কিছু যদি ট্রোলিংয়ের লোকজন না থাকত, এত বড় পৃথিবী কিছু জন্তু থাকবে না? আমায় নিয়ে করলে খুশি হই। টিআরপি। আমি ট্রোলিংয়ের উপরই দাঁড়িয়ে। মদন মিত্র সাবজেক্ট অফ ট্রোলিং। যত করবে তত মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।”
