Srijit Mukherji: ‘চন্দ্রমুখী’ কৌশানী, সৃজিতের ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবিতে বড় চমক!
Srijit Mukherji: সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের মেগাপ্রজেক্টে আচমকা নতুন এন্ট্রি! আবির, টোটা, মিমির পর এবার শরৎচন্দ্র-আখ্যানে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’-তে বিশেষ অতিথি হিসেবে চন্দ্রমুখীর জুতোয় পা গলাচ্ছেন টলিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘চন্দ্রমুখী’ বললেই বাঙালির চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক চিরায়ত প্রেম আর বেদনার ছবি। বাংলা সাহিত্যের পাতা থেকে রুপোলি পর্দায় বারবার উঠে এসেছে এই আইকনিক চরিত্র। বহু প্রথম সারির অভিনেত্রী এর আগে এই চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এবার সেই চেনা চরিত্রকে সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরতে চলেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। তাঁর আগামী ছবি ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’-তে বিশেষ অতিথি হিসেবে চন্দ্রমুখীর জুতোয় পা গলাচ্ছেন টলিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই এই খবর ঘিরে সিনেপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে।
মূলত শরৎচন্দ্রের সাহিত্য, তাঁর জীবনকাল এবং সেই সময়ের অস্থির সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে চলেছে এই ছবি। এমন এক জটিল ও ভারী আখ্যানের মধ্যে চন্দ্রমুখীর মতো একটি আবেগঘন চরিত্রের উপস্থিতি গল্পের বুনটকে আরও মজবুত করবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে পর্দায় এলেও, ছবিতে কৌশানীর উপস্থিতি কেবল নামের চমক নয়, বরং তা এক বিশেষ সাহিত্যিক মাত্রা যোগ করবে বলেই মত সিনে-বিশেষজ্ঞদের। পরিচালকের নিজস্ব সিনেম্যাটিক ভাষায় এই কালজয়ী চরিত্র ঠিক কেমন রূপ পায়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
নন্দী মুভিজের (Nandy Movies) ব্যানারে এবং প্রদীপ কুমার নন্দীর প্রযোজনায় তৈরি এই ছবি ঘিরে দর্শকদের উন্মাদনা এমনিতেই তুঙ্গে। ছবির কাস্টিংয়েও রয়েছে বড়সড় নামের ছড়াছড়ি। আবির চট্টোপাধ্যায়, টোটা রায়চৌধুরী, মিমি চক্রবর্তীর মতো প্রথম সারির তারকারা তো আছেনই, পাশাপাশি স্ক্রিন শেয়ার করবেন কাঞ্চন মল্লিক, সঞ্জয় নাগ, দিব্যাণী মণ্ডল, ঋক চ্যাটার্জী এবং দেবপ্রিয় মুখোপাধ্যায়। এতজন তাবড় শিল্পীর সঙ্গে কৌশানীর এই ক্যামিও দর্শকদের জন্য নিশ্চিতভাবেই এক উপরি পাওনা হতে চলেছে।
তবে চমক এখানেই থেমে নেই। এই ছবির হাত ধরেই কেরিয়ারে নতুন এক ইনিংস শুরু করছেন সৃজিত। ছবি পরিচালনার পাশাপাশি এবার সঙ্গীত পরিচালকের আসনেও স্বয়ং তিনিই। তবে আবহ সঙ্গীতের গুরুদায়িত্বে রয়েছেন ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। যেহেতু এটি একটি পিরিয়ড ফিল্ম, তাই চরিত্রদের লুক এবং প্রস্থেটিক্স অত্যন্ত জরুরি। সেই ঐতিহাসিক চরিত্রদের বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার মেকআপের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সোমনাথ কুণ্ডুকে। ক্যামেরার নেপথ্যে থেকে ফ্রেমবন্দি করার কাজ করবেন ইন্দ্রনাথ মারিক। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় বক্স অফিসে যে একটি টানটান লড়াই দেখা যাবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন শুধু বড় পর্দায় এই নতুন রসায়ন দেখার অপেক্ষা।
