Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Uttam-Suchitra: ‘আমরা যদি প্রেমিক-প্রেমিকা হয়ে পড়ি, ছবি চলবে না’, উত্তমকে বলেছিলেন সুচিত্রা

Uttam-Suchitra: উত্তমের মৃত্যুর পর চিরকালের মতো অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন সুচিত্রা সেন। কোনওদিনও প্রকাশ্যে আসেননি। নিজের মুখ দেখাননি তিনি। এমনকী, বহু পুরস্কারও নিতে যাননি মুখ দেখাতে হবে বলে। অনেকের বিশ্বাস, উত্তমের মৃত্যু সুচিত্রাকে এতটাই নাড়া দিয়েছিল যে, তিনি নিজেকে লুকিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি নাকি বলেওছিলেন, "উত্তম নেই, আমার আর সকলের সামনে যাওয়ারও কোনও মানে নেই।"

Uttam-Suchitra: 'আমরা যদি প্রেমিক-প্রেমিকা হয়ে পড়ি, ছবি চলবে না', উত্তমকে বলেছিলেন সুচিত্রা
উত্তম-সুচিত্রা।
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Oct 20, 2023 | 4:18 PM

বাংলা সিনেমার স্বর্ণালি যুগের দুই স্তম্ভ উত্তমকুমার এবং সুচিত্রা সেন। সেই ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ থেকে শুরু করে ‘প্রিয় বান্ধবী’… মাঝে ‘হারানো সুর’, ‘সপ্তপদী’–উত্তম-সুচিত্রা জুটির কোনও বিকল্পই তৈরি হয়েনি আজ পর্যন্ত। অনেকে মনে করতেন, উত্তমের সঙ্গে বুঝি সুচিত্রার প্রেম ছিল পর্দার পিছনেও। সমালোচক এবং দর্শক উভয়ই বিশ্বাস করতেন, বাস্তবে প্রেম না থাকলে পর্দায় সেই রসায়ন কিছুতেই ফোটানো সম্ভব নয়। উত্তম-সুচিত্রার অফ-স্ক্রিন সম্পর্ক নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে। যদিও এ বিষয়ে উত্তমকুমারই মুখ খুলেছিলেন একবার।

উত্তম নাকি তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছিলেন, “কে বলল আমি রমার প্রেমে পড়িনি? রমাকে ভাল না বেসে থাকা যায় নাকি? তবে খুব বুদ্ধিমতী মেয়ে রমা। কী বলেছিল জানো? বলেছিল, আমরা যদি প্রেমিক-প্রেমিকা হয়ে পড়ি, তাহলে স্বপ্নের প্রেমিক-প্রেমিকা ইমেজটায় চোট লাগবে। আমাদের ছবি তেমন আর চলবে না। দর্শক আমাদের আর রোমান্টিক জুটি হিসেবে গ্রহণ করবেন না।”

এদিকে উত্তমের মৃত্যুর পর চিরকালের মতো অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন সুচিত্রা সেন। কোনওদিনও প্রকাশ্যে আসেননি। নিজের মুখ দেখাননি তিনি। এমনকী, বহু পুরস্কারও নিতে যাননি মুখ দেখাতে হবে বলে। অনেকের বিশ্বাস, উত্তমের মৃত্যু সুচিত্রাকে এতটাই নাড়া দিয়েছিল যে, তিনি নিজেকে লুকিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি নাকি বলেওছিলেন, “উত্তম নেই, আমার আর সকলের সামনে যাওয়ারও কোনও মানে নেই।”

বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও একাধিক নারীসঙ্গ ছিল উত্তমকুমারের। সেই তালিকায় ছিলেন বাংলার দুই তাবড় অভিনেত্রীও। একজন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়। উত্তমের কারণেই নাকি বিয়ে করেননি সাবিত্রী। উত্তম নাকি বারবারই তাঁর বিয়ের সম্বন্ধ ভেঙে দিতেন। আর একজন ছিলেন অভিনেত্রী সুপ্রিয়া চৌধুরী। উত্তমের জন্য নাকি স্বামী-সংসার ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন সুপ্রিয়া। কিন্তু বহু নারীর সংস্পর্শে এসেও নিজের স্ত্রী গৌরীদেবীকে পরিত্যাগ করেননি উত্তম। এখনও পর্যন্ত তাঁর ভবানীপুরের বাড়িতে যে লক্ষ্মী পুজো হয়, তাতে লক্ষ্মী ঠাকুরের মুখশ্রী তৈরি হয় গৌরীদেবীর আদলেই।