বলিউডের এক নম্বর নায়িকার বাড়িতে বিগ বি, এরপরই ঘুরল খেলা!
একের পর এক স্টুডিওতে অডিশন দিয়ে সাত হিন্দুস্থানি ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান অমিতাভ। অভিনয় করতে গিয়ে এই ছবিতে নিজের একশো শতাংশ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ছবি বক্স অফিসে ডাহা ফ্লপ।

কলকাতায় থাকলে অভিনয়ের স্বপ্নটা যে পূরণ হবে না, সেটা যেন আগে থেকেই অনুমান করতে পেরেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। তাই কলকাতার চাকরি ছেড়ে মুম্বই পাড়ি দিয়েছিলেন। তবে মাথায় ঘুরছিল এক অশনি সংকেত। পারবেন তো মুম্বইয়ের কঠিন স্ট্রাগল? এসব দুশ্চিন্তা মাথায় করেই প্ল্যান বি রাখলেন বিগ বি। মুম্বই যাওয়ার সময় পকেটে রাখলেন তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স। অমিতাভ ছক কষে ফেলেছিলেন, যদি অভিনয় না হয়, তাহলে ট্য়াক্সি ড্রাইভার হয়েই জীবন কাটিয়ে দেবেন। মুম্বইয়ে পা দিয়ে তাই নাকি খোঁজ খবরও নিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু বিগ বির কপালে তো শহেনশাহ হওয়ার কথা লেখা।
জানা যায়, একের পর এক স্টুডিওতে অডিশন দিয়ে সাত হিন্দুস্থানি ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান অমিতাভ। অভিনয় করতে গিয়ে এই ছবিতে নিজের একশো শতাংশ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ছবি বক্স অফিসে ডাহা ফ্লপ। তারপর যে অমিতাভের স্ট্রাগল আরও কঠিন হয়ে পড়ে। সেই সময়ও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে ট্যাক্সি চালানোর কথা ভেবেছিলেন অমিতাভ। কিন্তু আচমকাই কপাল ঘুরল বলিউডের এক নম্বর নায়িকার ডাকে!
সময়টা ১৯৭০। অমিতাভের একের পর এক ছবি ফ্লপ। কিছুতেই বলিউডে শক্ত জমি খুঁজে পাচ্ছিলেন না বিগবি। কোনও অভিনেত্রীই অমিতাভের বিপরীতে কাজ করতে চাইছিলেন না। ঠিক সেই সময়ই পরিচালক ওপি রালহান একটি বিগ বাজেট ছবির ঘোষণা করেন। ছবির নায়িকা মুমতাজ। মুমতাজ তখন বলিউডের বড় নাম। তবে পরিচালক চেয়েছিলেন মুমতাজের বিপরীতে কোনও নতুন মুখ থাকুক। ডাক পড়ল অমিতাভের। অমিতজির কাছে এ ছিল বিশাল সুযোগ। তবে মুমতাজ প্রথমে অমিতাভের নাম শুনে হতাশ হয়েছিলেন। সেই সময় বিনোদনমূলক ম্য়াগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল, মুমতাজ নাকি অমিতাভকে শুধুমাত্র একঝলক দেখার জন্য বাড়িতে ডেকে পাঠান। আর সেই এক দেখাতেই মুমতাজের মন জিতে নিয়ে ছিলেন অমিতাভ। জঞ্জির ছবি যে বছর মুক্তি পায় অর্থাৎ ১৯৭৩ সাল। তার আগেই মুমতাজ-অমিতাভ জুটি ঝড় তুলেছিল। ছবির নাম বন্ধে হাত। যেখানে অমিতাভকে দেখা গিয়েছিল দ্বৈত চরিত্রে। তারপরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অমিতাভকে।





