‘কুন কুন জায়গায় ব্যাথা ‘ হলে চিন্তার বিষয়, জেনে নিন
বাত বা আর্থ্রাইটিসে ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তাপমাত্রা কমলে পেশি ও স্নায়ু সঙ্কুচিত হয়, ফলে ব্যথা বাড়ে। শুধু তাই নয়, আবহাওয়ার পরিবর্তনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কিছুটা কমে যায়। ঋতু বদলের সময় ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বাড়ে। তার ফলে সর্দি-কাশি, জ্বরের পাশাপাশি শরীর ব্যথা ও ক্লান্তিও চেপে বসে। অনেক সময় শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতিও দুর্বলতার কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যখন রোদ কম পাওয়া যায়।

ভোরে ঘুম ভাঙতেই কেমন যেন ম্যাজম্যাজে লাগছে? হাত-পা ভারী, মাথা একটু ঝিমঝিম, কাজের উৎসাহ নেই। অনেকেই ভাবেন, “হয়ত ঠিকমতো ঘুম হয়নি।” কিন্তু ক্যালেন্ডারটা একবার দেখেছেন? মরশুম বদলের সময় এলেই এমন অস্বস্তি যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে। প্রশ্ন হল, হঠাৎ আবহাওয়া বদলেই শরীর কেন এমন বেসামাল হয়? চিকিৎসকদের মতে, ঋতু পরিবর্তনের সময় তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বাতাসের চাপ—এই তিনের ওঠানামা শরীরের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে বাতাসের চাপ কমে গেলে অনেকের জয়েন্টে ব্যথা বাড়ে।
কারা বেশি সামলে থাকবেন?
বাত বা আর্থ্রাইটিসে ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তাপমাত্রা কমলে পেশি ও স্নায়ু সঙ্কুচিত হয়, ফলে ব্যথা বাড়ে। শুধু তাই নয়, আবহাওয়ার পরিবর্তনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কিছুটা কমে যায়। ঋতু বদলের সময় ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বাড়ে। তার ফলে সর্দি-কাশি, জ্বরের পাশাপাশি শরীর ব্যথা ও ক্লান্তিও চেপে বসে। অনেক সময় শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতিও দুর্বলতার কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যখন রোদ কম পাওয়া যায়।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল কম জল খাওয়া। হালকা ঠান্ডা বা শুষ্ক আবহাওয়া থাকলেই অনেকেই জল খাওয়া কমিয়ে দেন। এতে শরীরে জলশূন্যতা তৈরি হয়, যার প্রভাব পড়ে পেশিতে। আর তার ফলেই হাত-পায়ে টান, ব্যথা ও অবসাদ দেখা যায়।
ঘুমের ব্যাঘাতও বড় কারণ। দিন ছোট বা বড় হওয়ার সঙ্গে শরীরের জৈব ঘড়ি বদলায়। এতে ঘুমের ছন্দ নষ্ট হলে সারাদিন ক্লান্তি পিছু ছাড়ে না। মানসিক চাপও এই সময় বাড়তে পারে, যা শরীরের দুর্বলতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী মরশুম বদলের সময় নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত জলপান, সুষম খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম খুবই জরুরি। রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটালে উপকার মেলে। যাঁদের দীর্ঘদিনের ব্যথার সমস্যা আছে, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।
