Zubeen Garg death case: জুবিনের উপার্জিত কোটি কোটি টাকা নয় ছয়! বড় সিদ্ধান্ত নিল আদালত
Court orders to freeze bank accounts of Zubeen Garg's manager Sidharth Sharma due to suspicious financial transactions and unexplained wealth: গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যু মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড়। তাঁর ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মার ছ’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিল আদালত। বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস দেখাতে না পারায় আরও বিপাকে ম্যানেজার।

জুবিন গর্গ (Zubeen Garg)-এর আকস্মিক মৃত্যুতে ঘনিয়ে ওঠা রহস্য এবার মোড় নিয়েছে আর্থিক তছরুপের দিকে। গত বছর সিঙ্গাপুরে গায়কের মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তের দিকে সন্দেহের তির ছিল। সেই তালিকায় অন্যতম নাম তাঁর ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা। এবার সিদ্ধার্থের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দিল গুয়াহাটির ফাস্ট ট্র্যাক আদালত। অভিযোগ, গায়কের উপার্জিত অর্থ যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করেছেন তিনি, যার কোনও বৈধ নথি মেলেনি।
গায়কের মৃত্যুরহস্য খতিয়ে দেখতে অসম সরকারের নির্দেশে গঠিত ‘সিট’ (SIT) আদালতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পেশ করেছে। বিচারক শর্মিলা ভূঞা জানিয়েছেন, মামলার প্রধান তদন্তকারী অফিসারের পেশ করা নথিতে দেখা গিয়েছে, সিদ্ধার্থ শর্মার আয়ের উৎসের সঙ্গে তাঁর জীবনযাত্রার কোনও মিল নেই। একাধিক বেআইনি কাজে তাঁর জড়িত থাকার ইঙ্গিতও মিলেছে।
তদন্তে কী কী তথ্য উঠে এসেছে?
১. সিদ্ধার্থ শর্মার নিজস্ব এবং তাঁর মা ও ভাইয়ের নামে থাকা মোট ছ’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২.সিদ্ধার্থের মালিকানাধীন ‘মহাবীর অ্যাকোয়া’ সংস্থায় ১.১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু এই বিপুল অর্থের উৎস কী, তার কোনও বৈধ প্রমাণ বা আয়কর রিটার্নের নথি তিনি আদালতে দাখিল করতে পারেননি।
৩.মিউজিক ম্যানেজমেন্টের অ্যাকাউন্টে থাকা বিপুল অর্থের কোনও সঠিক হিসেব নেই। সিটের রিপোর্ট অনুযায়ী, গায়কের টাকা ব্যক্তিগত স্বার্থে খরচ করা হয়েছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু হয়েছিল জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের। প্রথম থেকেই এই ঘটনায় তাঁর ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মার দিকে অভিযোগ উঠেছিল। তদন্তকারীদের দাবি, সিদ্ধার্থ তাঁর ও তাঁর পরিবারের অ্যাকাউন্টে থাকা বিপুল অর্থের বৈধতা প্রমাণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। আদালতের এই নির্দেশের ফলে জুবিনের মৃত্যু মামলার নেপথ্যে থাকা আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। এখন এই মামলা কোন দিকে যায় সেই উত্তর সময় বলবে।
