AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

West Bengal May weather forecast: ‘বাংলা এমন মে চায়’! আরামে রাখার ইঙ্গিত প্রকৃতির?

May Weather Relief in West Bengal: বৃষ্টিতে আবহাওয়া মনোরম হলেও ব্যাপক ক্ষতি চাষে। আরও বৃষ্টি মানে আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা। বিশেষ করে রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। বেশ কিছু অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হয়ে যেতে পারে। রোজই ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা দক্ষিণবঙ্গে।

West Bengal May weather forecast: 'বাংলা এমন মে চায়'! আরামে রাখার ইঙ্গিত প্রকৃতির?
মে মাসে বাংলায় কাঠফাটা গরমের আশঙ্কা কম। Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: May 01, 2026 | 10:59 AM
Share

কলকাতা: ধন্যি মে! মাঝ বৈশাখে, মে-র পয়লা দিনে সোঁদা ঠান্ডা হাওয়া বইছে, এমনটা ক’বছর হয় বলুন তো! আবহাওয়া দফতরের আউটলুক বলছে, ‘ঝোলা’য় এমন ‘বিস্ময়’ আরও আছে। মৌসম ভবন (IMD) আগামী ৪ সপ্তাহের যে ইঙ্গিত দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, মে মাসে গোটা বাংলাতেই কাঠফাটা গরমের আশঙ্কা কম। তাপপ্রবাহের (Heatwave) আশঙ্কা প্রায় নেই বললেই চলে। প্রতি সপ্তাহেই ঝড়-বৃষ্টির আশা। বৃষ্টি না হলে ভ্যাপসা গরম বাড়তে পারে, ওইটুকুই। তাপমাত্রার গড় থাকতে পারে স্বাভাবিকের নীচেই। বস্তুত উত্তর-পশ্চিম ভারত ছাড়া কোথাওই মাত্রাছাড়া গরমের আশঙ্কা নেই।

এ বার মার্চে গরমের ছ্যাঁকা খায়নি বাংলা। নিয়মিত ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এপ্রিলে মূলত পশ্চিমাঞ্চলে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা ছিল। বাস্তবে তাই-ই হয়েছে। বেশ কয়েক দিন ৪২-৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আঁচে পুড়েছে বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর। সেই গরম টেরই পায়নি বাকি রাজ্য। উত্তরে তো এবার গরমের বালাই প্রায় নেই, বাকি দক্ষিণবঙ্গে গরম বলতে প্যাচপেচে গরম। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে ওঠেনি। এপ্রিলে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় থাকার কথা ৩৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবার ছিল মাত্র ৩৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতেও বাড়াবাড়ি গরম নয়, একেবারে স্বাভাবিক সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড়। বৃষ্টিও অতিরিক্ত। এপ্রিলে মোটামুটি ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি পাওয়ার কথা কলকাতার। এপ্রিলের শেষ ২ দিনেই আলিপুরে বৃষ্টি হয়েছে ৮৪ মিলিমিটার। ভারী বৃষ্টি হয়েছে একাধিক জেলায়।

বৃষ্টিতে আবহাওয়া মনোরম হলেও ব্যাপক ক্ষতি চাষে। আরও বৃষ্টি মানে আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা। বিশেষ করে রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। বেশ কিছু অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হয়ে যেতে পারে। রোজই ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা দক্ষিণবঙ্গে। সোমবার গণনার দিন কলকাতা-সহ ৮ জেলায় কালবৈশাখীর কমলা সতর্কতা। ঘনঘন বাজ পড়তে পারে, তাই মেঘ ডাকছে শুনলেই সাবধানে থাকুন, কংক্রিটের নীচে থাকুন। নিয়মিত সতর্কতা সত্ত্বেও বজ্রপাতে মৃত্যু কিন্তু হয়েই চলেছে।

এত বৃষ্টি হলেও বর্ষা নিয়ে অন্য আশঙ্কা। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বলেই রেখেছে, মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যেতে পারে। এল নিনোর কথা মাথায় রেখে মৌসম ভবন ৮ শতাংশ কম বৃষ্টির ইঙ্গিত দিয়েছে বর্ষায়। ঘাটতি বর্ষার ইঙ্গিত বাংলাতেও। তবে ভারত মহাসাগরের জলতলের তাপমাত্রা কতটা সহায়ক হয়, সেদিকেও নজর রাখছেন আবহবিদরা। মে মাস এসে গেল, তাই বর্ষাতেই সব নজর। সাধারণত ২২ মে আন্দামান-নিকোবরে বর্ষা পৌঁছয়। গতবার এই যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৩ মে। এবারও মে-র দ্বিতীয় সপ্তাহে আন্দামান-নিকোবরে মৌসুমি বায়ু পৌঁছনোর ক্ষীণ সম্ভাবনা। কেরলম, বাংলার পূর্বাভাস আসতে অবশ্য এখনও ঢের দেরি।

Follow Us