AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

চোখ নিয়ে চিন্তিত? এই ৫ পুষ্টি পাতে থাকলে স্ক্রিন টাইম নিয়ে ভয় পাওয়ার দরকার নেই

Nutrition for Eye Health: কাজের জন্য দিনের ৭-৮ ঘণ্টা স্ক্রিনে চোখ রাখতেই হয়। না চাইতেও স্কিন টাইম কমানো সম্ভব নয়। আজকাল কম বয়সেই চশমা বেশিরভাগ মানুষের। কেউ দূরের বস্তু দেখতে পান না, আবার কেউ ছোট-ছোট লেখা পড়তে পারে না। এই অবস্থায় চোখের দেখভাল না করলে পাওয়ার প্লাস-মাইনাস হতেই থাকবে। 

চোখ নিয়ে চিন্তিত? এই ৫ পুষ্টি পাতে থাকলে স্ক্রিন টাইম নিয়ে ভয় পাওয়ার দরকার নেই
| Updated on: Mar 02, 2024 | 2:13 PM
Share

চোখকে ভাল রাখতে গেলে স্ক্রিন টাইম কমাতেই হবে। অর্থাৎ, যত কম মোবাইল, ল্যাপটপে সময় কাটাবেন, আপনার চোখের জন্যই ভাল। কিন্তু কাজের জন্য দিনের ৭-৮ ঘণ্টা স্ক্রিনে চোখ রাখতেই হয়। না চাইতেও স্কিন টাইম কমানো সম্ভব নয়। আজকাল কম বয়সেই চশমা বেশিরভাগ মানুষের। কেউ দূরের বস্তু দেখতে পান না, আবার কেউ ছোট-ছোট লেখা পড়তে পারে না। এই অবস্থায় চোখের দেখভাল না করলে পাওয়ার প্লাস-মাইনাস হতেই থাকবে। স্ক্রিন টাইম কমিয়ে চোখকে বিশ্রাম দেওয়া দরকার। এছাড়া দেহে পুষ্টির ঘাটতি নিয়ে সচেতন থাকতে হবে। চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে গেলে দেহে এই ৫ পুষ্টির ঘাটতি হতে দেওয়া যাবে না। দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখতে এই ৫ পুষ্টি অপরিহার্য।

ভিটামিন এ: ‘ভিশন ভিটামিন’ বলা হয় ভিটামিন এ-কে। এই পুষ্টি চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। রেটিনার কার্যকারিতাকে সচল রাখা থেকে শুরু করে ঝাপসা দৃষ্টির সমস্যাকে দূর করতে সাহায্য করে ভিটামিন এ। গাজর, আম, পাকা পেঁপে, সবুজ শাকসবজির মধ্যে ভিটামিন এ পাবেন।

ভিটামিন ই: ভিটামিন ই দেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা চোখকে ক্ষতিকারক ফ্রি র‍্যাডিকেলের হাত থেকে রক্ষা করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চোখের যে সব সমস্যা দেখা দেয়, সেগুলোকে প্রতিরোধ করে ভিটামিন ই। এই পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে সূর্যমুখীর বীজ, পালংশাক, আমন্ড, অ্যাভকাডো ইত্যাদি খেতে পারেন।

ভিটামিন সি: দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন সি অপরিহার্য। চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্যও এই পুষ্টি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। চোখের রক্তনালিকে সুস্থ রাখে এবং ছানির ঝুঁকি কমায়। লেবুজাতীয় ফল, পেয়ারা, কিউই, ব্রকোলির মতো খাবার রোজ খান।

জিঙ্ক: চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য জিঙ্ক জরুরি। এই পুষ্টি ভিটামিন এ-কে লিভার থেকে রেটিনায় পৌঁছাতে সাহায্য করে এবং মেলানিন উৎপাদনকে সাহায্য। এই উপায়ে জিঙ্ক চোখকে পিগমেন্টের হাত থেকে রক্ষা করে। কাজু, ওটস, কাবুলি চানার মতো খাবার খেলেই জিঙ্কের ঘাটতি মিটবে।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: চোখের স্বাস্থ্য, বিশেষত রেটিনার স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। বয়সজনিত কারণে চোখের ম্যাকুলার অবক্ষয় হয়। এটাই প্রতিরোধে সাহায্য করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। মাছ, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড, আখরোটের মতো খাবারে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পেয়ে যাবেন।

Follow Us