AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

India- New Zealand Final Match: নজর পড়েছে দাউদের D Company-র! ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল ম্যাচে কি অঘটন ঘটবে?

ICC Champions Trophy Final: ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ কমপক্ষে ৫ জন বুকি-কে গ্রেফতার করেছে। তাদের জেরা করেই তদন্তকারীরা দুবাইয়ে পৌঁছেছে। জানা গিয়েছে, সেমি ফাইনাল ম্যাচেও এরা বেটিং করেছিল। ভারত-অস্ট্রেলিয়া সেমি ফাইনাল ম্যাচেও বেটিং হয়।

India- New Zealand Final Match: নজর পড়েছে দাউদের D Company-র! ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল ম্যাচে কি অঘটন ঘটবে?
ফাইনাল ম্যাচে নজর দাউদের?Image Credit: PTI
| Updated on: Mar 08, 2025 | 7:45 PM
Share

নয়া দিল্লি: রাত পোহালেই মহারণ। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফির ফাইনাল। আর ফাইনালে মুখোমুখি ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড। দুপুর থেকেই টিভি বা মোবাইলের সামনে সিঁটিয়ে বসে থাকবেন সকলে। তবে দুবাইয়ের এই ফাইনাল ম্যাচের উপরে শুধু আমজনতার নজর নয়, রয়েছে আরও এক বড় কোম্পানির নজর। ডি কোম্পানি! গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের কোম্পানি আগামিকালের ম্যাচের উপরে বেটিং করেছে। কত টাকার সেই বেট জানেন? ৫০০০ কোটি টাকার!  পুলিশ সূত্রে এমনটাই খবর।

জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বেটিং চক্রে বুকিদের ‘ফেভারিট টিম’ ভারত। অধিকাংশ বেটিং-ই হয়েছে ভারতের উপরে। আন্ডারওয়ার্ল্ডের বুকিরাও ভারতের উপরই বেটিং করেছে। তারা ইতিমধ্যেই দুবাইয়ে পৌঁছেছে বেটিং চক্রের মাথারা। গোয়েন্দা সূত্রে এমনটাই খবর।

ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ কমপক্ষে ৫ জন বুকি-কে গ্রেফতার করেছে। তাদের জেরা করেই তদন্তকারীরা দুবাইয়ে পৌঁছেছে। জানা গিয়েছে, সেমি ফাইনাল ম্যাচেও এরা বেটিং করেছিল। ভারত-অস্ট্রেলিয়া সেমি ফাইনাল ম্যাচে বেটিংয়ের জন্য প্রবীণ কোচার ও সঞ্জয় কুমার নামক দুই বুকি-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে মোবাইল, ল্যাপটপ সহ একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রবীণ কোচার নামক ওই বুকি একটি বেটিং ওয়েবসাইট থেকে মাস্টার আইডি কিনেছিল। এটি বেটিং আইডি তৈরির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। প্রতিটি লেনদেনেই ৩ শতাংশ করে কমিশন নিত। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও বেটিং হত।

এই বেটিং চক্র চালানোর জন্য ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি বাড়ি ভাড়াও নিয়েছিল। বিগত দুই বছর ধরেই এই বাড়িটি বেটিং চক্রের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। প্রতি ম্যাচে ৪০ হাজার টাকার লাভ হত তাদের। গোটা নেটওয়ার্কটাই দুবাই থেকে পরিচালিত হয়।

Follow Us