Abhishek Banerjee: ‘মনে করছেন একবার, আসলে তিনবার কর দিচ্ছেন’, কীভাবে? বুঝিয়ে দিলেন অভিষেক

Parliament: অভিষেক এদিন বলেন, "অর্থমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন যে ভারতের অর্থনীতি বর্ধনশীল। আর বাংলা ৬.৫ লক্ষ কোটি ট্যাক্স দেওয়ার পরও বঞ্চিত। মনরেগায় কোনও নিয়োগ হয়নি, গ্রাম সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সবক্ষেত্রেই বঞ্চিত। পানীয় জল নিয়েও দরাদরি করতে হয়।"

Abhishek Banerjee: মনে করছেন একবার, আসলে তিনবার কর দিচ্ছেন, কীভাবে? বুঝিয়ে দিলেন অভিষেক
Image Credit source: TV9 Bangla

Feb 10, 2026 | 5:57 PM

নয়া দিল্লি: বাজেটে ৮৫ মিনিটের বক্তব্যে বাংলার নামও নেওয়া হয়নি। লোকসভায় মঙ্গলবার এ কথা বলেই কেন্দ্রীয় বাজেটের সমালোচনা করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ফ্রেট করিডরের যে ঘোষণা করা হয়েছে, তা আগেই করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমতা নয় পক্ষপাতিত্বেই সরকার বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেছেন অভিষেক।

অভিষেক এদিন বলেন, “অর্থমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন যে ভারতের অর্থনীতি বর্ধনশীল। আর বাংলা ৬.৫ লক্ষ কোটি ট্যাক্স দেওয়ার পরও বঞ্চিত। মনরেগায় কোনও নিয়োগ হয়নি, গ্রাম সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সবক্ষেত্রেই বঞ্চিত। পানীয় জল নিয়েও দরাদরি করতে হয়।”

এরপর ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপের কথা বলেন অভিষেক। তিনি বলেন, “নাগরিকরা মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু আসলে তিনবার দিচ্ছেন। প্রথমত বেতন থেকে কর দিতে হয়, দ্বিতীয় হল জিএসটি। বিস্কুট থেকে স্কুলের খাতা, হাসপাতালের খরচ থেকে বাথরুমের সাবান, সর্বত্র পরোক্ষ কর দিতে হয়। তৃতীয়টি হল, মূল্যবৃদ্ধি। কোনও অনুমতি ছাড়াই সেটা বাড়ে। সেটা নিঃশব্দ ট্যাক্স।”

মধ্যবিত্তের ক্ষেত্রে বেতন একমাসও চলে না বলে মন্তব্য করেন অভিষেক। একটা গাড়ি কেনার জন্য তিনবার কর দিতে হয় বলেও দাবি করেন তিনি। উল্লেখ করেন, ইনকাম ট্যাক্স, রোড ট্যাক্স, টোল ট্যাক্সের কথা।

এছাড়া এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা- সব ইস্যুতেই কেন্দ্রের সমালোচনা করেন সাংসদ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “জয় বাংলা বললে আর সোনার বাংলা গাইলে অনুপ্রবেশকারী বলে দেওয়া হয়। সেনাকর্মী থেকে নোবেলজয়ী বা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও বলা হচ্ছে প্রমাণ দিতে হবে। বাংলায় ১৫০ মানুষের প্রাণ গিয়েছে। ১ কোটি সন্দেহের তালিকায়।”

সব শেষে অভিষেক বলেন, “ফান্ড বন্ধ করতে চান করুন, বাংলার শিরদাঁড়া কখনও ঝুঁকবে না। সব নিয়ে নিন, কিন্তু স্মৃতি কখনও মোছে না। মানুষ যখন জাগবে, আমরাই শেষ কথা বলব।”