
নয়া দিল্লি: প্রধানমন্ত্রীর “মন কি বাতে” মন ভরেনি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের। টুইটে সে কথা সাফ জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পিঠ বাঁচাতে দলে দলে বিজেপি নেতা আক্রমণ শানিয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। এ বার সেই দলে যোগ দিলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডিও।
বৃহস্পতিবার রাজ্যগুলির করোনা পরিস্থিতি যাচাই করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অন্দ্র প্রদেশ, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড সহ একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন অভিযোগ তোলেন যে প্রধানমন্ত্রী নিজের মনের কথাই বলে গিয়েছেন, তাদের বলার সুযোগ দেননি।
সোরেনের এই টুইটের পরই একের পর এক বিজেপি নেতা তাঁকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে থাকেন। অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগত আক্রমণ না করলেও টুইট করে বলেন, “হেমন্ত সোরেনজী, আপনাকে আমি অনেক শ্রদ্ধা করি। ভাই হিসাবে আপনার কাছে মধ্যে ভিন্নমত থাকুক না কেন, এইধরনের রাজনীতি করলে আমাদের দেশই দুর্বল হয়ে পড়বে।”
দ্বিতীয় টুইটে তিনি বলেন, “কোভিড-১৯ র বিরুদ্ধে যুদ্ধে এই সময়ে একে অপরের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে কোনও লাভ নেই। আমাদেকর সকলকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে ও করোনা য়ুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর হাত শক্ত করতে হবে।”
এ দিকে, তাঁর এই টুইটের প্রেক্ষিতেই নতুন টুইট যুদ্ধ শুরু করে কংগ্রেস। আজই বেআইনিভাবে জমি বিক্রির মামলায় জামিন সংক্রান্ত শুনানি রয়েছে সিবিআই আদালতে। সেই বিষয়টি তুলে ধরেই ওড়িশার কংগ্রেস সাংসদ সপ্তগিরি উলাকা বলেন, “দেখে খুব খারাপ লাগছে যে কংগ্রেস এক শীর্ষ নেতা প্রয়াত রাজাশেখর রেড্ডির ছেলে এখন প্রধানমন্ত্রীর কথায় আঁকিবুঁকি কাটছে মোদীজীর সিবিআই, ইডি হানার রাজনীতির ভয়ে। ”
আরও পড়ুন: এক ডোজ়ের দাম ১৬ কোটি! একরত্তির বিরল জিনগত রোগ সারাতে ৪২ দিনেই টাকা জোগাড় অনলাইনে