SBI research: রামের আশীর্বাদে ধন-বর্ষণ! কতটা ধনী হচ্ছে যোগীরাজ্য?
SBI research: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে যেভাবে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে অযোধ্যায়, তাতে একলাফে উত্তর প্রদেশের অর্থনীতির ব্যাপক উন্নতি হবে বলে অনুমান করছেন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শুধু অনুমান নয়, এসবিআই-এর সাম্প্রতিক গবেষণার ফলও তাই বলছে। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কটির গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৫০০০ কোটি টাকার কর সংগ্রহ করতে পারে যোগী আদিত্যনাথ সরকার।

লখনউ: রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে রামের আশীর্বাদ বর্ষাতে শুরু করল উত্তর প্রদেশের উপর। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে যেভাবে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে অযোধ্যায়, তাতে একলাফে উত্তর প্রদেশের অর্থনীতির ব্যাপক উন্নতি হবে বলে অনুমান করছেন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শুধু অনুমান নয়, এসবিআই-এর সাম্প্রতিক গবেষণার ফলও তাই বলছে। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কটির গবেষণা অনুযায়ী, অযোধ্যার রাম মন্দির এবং উত্তর প্রদেশে আরও যে যে পর্যটন সংক্রান্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৫০০০ কোটি টাকার কর সংগ্রহ করতে পারে যোগী আদিত্যনাথ সরকার।
এসবিআই-এর রিপোর্ট বলছে, উত্তর প্রদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবথেকে বড় ‘ফ্যাক্টর’ হতে চলেছে অবশ্যই অযোধ্যার রাম মন্দির। মন্দিরকে কেন্দ্র করে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের যেউন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে, তাতে এই বছর ৪ লক্ষ কোটি টাকা সম্পদ বাড়তে পারে উত্তর প্রদেশের। কোনও ফাঁকা দাবি নয়, একেবারে হিসেব কষে দেখিয়ে দিয়েছে এসবিআই।
বিদেশি স্টক এক্সচেঞ্জ গবেষণা ফার্ম, ‘জেফারিসে’র রিপোর্ট অনুযায়ী, দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুসলিম এবং খ্রিষ্টধর্মের পবিত্রতম দুই স্থান, মক্কা ও ভ্যাটিকানকে পিছনে ফেলবে অযোধ্যা। মক্কায় প্রতি বছর ২ কোটি মানুষ আসেন। এর থেকে সৌদি আরবের আয় হয় ১২০০ কোটি মার্কিন ডলার। আর ভ্যাটিকানে প্রতি বছর পা রাখেন ৯০ লক্ষ মানুষ। এর থেকে আয় হয় ৩১ কোটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ‘জেফারিসে’র অনুমান, অযোধ্যায় প্রতি বছর অন্তত ৫ কোটি করে মানুষ আসতে চলেছেন।
এসবিআই-এর এক কর্তা জানিয়েছেন, অযোধ্যায় প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১ লক্ষ মানুষ আসবেন বলে মনে করা হচ্ছে। দ্রুত তা বেড়ে ৩ লক্ষও হতে পারে। যদি প্রত্যেক ভক্ত গড়ে ২,৫০০ টাকা খরচ করেন, তাহলে শুধু অযোধ্যাই উত্তর প্রদেশের অর্থনীতিতে ২৫,০০০ কোটি টাকার অবদান রাখবে। তবে, যারা অযোধ্যায় আসবে, তারা তো আর শুধু অযোধ্যা ঘুরে চলে যাবে না। নেমারসের কাশি বিশ্বনাথ মন্দির, মথুরার বাঁকে বিহারী মবন্দিরের মতো অন্যান্য ধর্মীয় স্থানেও যাবে তারা। এতে করে বারাণসী এবং মথুরার স্থানীয় অর্থনীতিরও উন্নতি হবে। এর ফলে উত্তর প্রদেশের অর্থনীতিতে প্রতি বছর বাড়তি ১ লক্ষ কোটি টাকা যুক্ত হবে।
