Bangladesh: বুক ফুলিয়ে স্বীকার করেছিল SI সন্তোষকে খুনের কথা, বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে গিয়ে ছাত্রনেতা ধরা পড়ল ভারতে!
Bangladesh Update: ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট যখন গোটা বাংলাদেশ উত্তাল, দেশ ছাড়ছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেই সময়ে উন্মত্ত জনতার হাতে খুন হন বানিয়াচ্যাং থানার সাব ইন্সপেক্টর সন্তোষ চৌধুরী। তাঁর দেহ গাছ থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

ঢাকা: ইউনূস জমানায় বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে অত্যাচারের ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে। ২০২৪ সালে যখন উত্তাল বাংলাদেশ, তখন নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল হিন্দু পুলিশ অফিসারকে। সেই খুনে অন্যতম মাথা যে, সে বুক ফুলিয়ে স্বীকারও করেছিল খুনের কথা। তবে সরকার বদলাতেই পাততাড়ি গুটিয়ে বাংলাদেশ থেকে পালাচ্ছিলেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রনেতা। তবে পালানো আর হল না। সেফ ট্রানজিট হিসাবে ভারতকে ব্যবহার করতে গিয়েই ধরা পড়ে গেলেন। দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয় আহমেদ রাজ়া হাসান মেহদিকে। তারপর তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের হবিবগঞ্জের স্টুডেন্ট কো-অর্ডিনেটর আহমেদ রাজ়া হাসান মেহদি। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট যখন গোটা বাংলাদেশ উত্তাল, দেশ ছাড়ছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেই সময়ে উন্মত্ত জনতার হাতে খুন হন বানিয়াচ্যাং থানার সাব ইন্সপেক্টর সন্তোষ চৌধুরী। তাঁর দেহ গাছ থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন সন্তোষ। মাত্র ১০ মাস হয়েছিল তাঁর বিয়ের। সন্তোষের মৃত্য়ুর তিন মাস পর তাঁর পুত্র সন্তান জন্মায়।
মেহদি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে ওই পুলিশ অফিসারকে খুন করেছেন। বাংলাদেশের একটি থানার ভিতরে বসে করা সেই ভিডিয়ো ভাইরালও হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
জানা গিয়েছে, মেহদি ভারতের পথ ধরে ইউরোপে পালিয়ে যাচ্ছিল। দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করে ইমিগ্রেশন আধিকারিকরা। পরে তাঁকে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষ করে, বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এদিকে, মেহদি বিমানবন্দর থেকে একটি ছোট ভিডিয়ো করেন, যেখানে তিনি দাবি করেন যে পুলিশ তাঁকে হেনস্থা করেছে।
