
নয়া দিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ, অসমের মতো রাজ্যে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ভাবাচ্ছে বিজেপি(BJP)-কে। সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সাংগঠনিক বৈঠকেই ইঙ্গিত স্পষ্ট করে দিলেন নীতিন নবীন।
সূত্রের খবর, বৈঠকে নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন বলেছেন যে জনবিন্যাসের পরিবর্তন বদলে দিচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ। আর এই পরিবর্তন বিজেপির কাছে বাড়তি চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটেই পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে এসআইআর নিয়ে প্রচার আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
চলতি বছরেই বিধানসভা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে। এবার ক্ষমতা দখল করতে মরিয়া বিজেপি। ভোটব্যাঙ্ক টানতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে প্রচারে নেমে পড়েছেন রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা। আগামী মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি বাংলায় আসছেন বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি। বৈঠক হবে বিজেপির প্রচার ও ভোটের স্ট্রাটেজি নিয়ে। সেখানেও পশ্চিমবঙ্গ-অসমের পরিবর্তিত জনবিন্যাসের প্রসঙ্গ উঠে আসতে পারে।
সূত্রের খবর, প্রথম বৈঠকেই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রস্তুতিতে আরও গতি আনার নির্দেশ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে দিয়েছেন নব নির্বাচিত সভাপতি। এই মুহূর্তে বাংলায় বিজেপির সংগঠন কীভাবে কাজ করছে সে বিষয়ে শমীক ভট্টাচার্যের কাছ থেকে রিপোর্ট নেন তিনি। পাশাপাশি প্রত্যেক বুথে সংগঠন মজবুত করার নির্দেশ দেন।
নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি যে নেতারা আগে ভোটে সাফল্য এনে দিয়েছেন তাদের চিহ্নিত করাই এই মুহূর্তে লক্ষ্য। তাদের পারদর্শিতাকে কাজে লাগাতে ভোটমুখী রাজ্যে দায়িত্ব দেওয়ার ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর।
এদিনের বৈঠকে চূড়ান্ত হয়েছে যে দুই কর্মসূচিতে বিশেষ জোর দেবে বিজেপি। প্রথম, সারা দেশে ভিবি জি রাম জি প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে সর্বাত্মক প্রচারে নামবে বিজেপি। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে প্রচারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। দ্বিতীয়, প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত প্রোগ্রামের প্রচারের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে বিজেপি।
ইতিমধ্যেই ভোটমুখী রাজ্য কেরল, তামিলনাড়ুতে বিজেপি একাধিক নেতাকে গুরু দায়িত্ব দেয়েছেন সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তেলঙ্গানা, হরিয়ানাতেও আঞ্চলিক নীতিগুলিকে মাথায় রেখে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নেতাদের।