AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Cammel: ভারত থেকে হু-হু করে কমে যাচ্ছে উট, বিস্ফোরক তথ্য সামনে

ভারতে সবচেয়ে বেশি উট পাওয়া যায় রাজস্থানে। তারপর গুজরাট। দেশে প্রতিবছর যত বিদেশি ট্যুরিস্ট আসেন তাঁদের বড় একটা অংশ যান রাজস্থানে। আকর্ষণের অন্যতম মরুভূমির মধ্যে কেল্লা আর উট। উটের দুধ ভীষণ পুষ্টিকর। উট মাল টানে। গাড়ি টানে। ফলে, গ্রামীণ অর্থনীতি আর পর্যটন, দুটো ক্ষেত্রেই মরুভূমির জাহাজ বলে পরিচিত এই প্রাণীটির অবদান প্রচুর।

Cammel: ভারত থেকে হু-হু করে কমে যাচ্ছে উট, বিস্ফোরক তথ্য সামনে
আর দেখা মিলবে না উটের?Image Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 21, 2025 | 10:37 PM
Share

মনে পড়ে ফেলুদায় লালমোহনবাবুর স্বপ্ন ছিল উটে চড়া? গল্পে অবশ্য স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে ভবিষ্যতে আমি-আপনি বা আমাদের পরের প্রজন্ম হয়ত স্বপ্ন-দুঃস্বপ্ন, কোনওটাই দেখার সুযোগ পাবে না। কারণ ভারত থেকে হারিয়ে যাচ্ছে উট। ১৯৭৭ সালের উটসুমারির তুলনায় আজ দেশে উটের সংখ্যা প্রায় ৭৭ শতাংশ কমে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমন চলতে থাকলে আগামী কয়েক দশকের মধ্যে দেশ থেকে উট প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা।

ভারতে সবচেয়ে বেশি উট পাওয়া যায় রাজস্থানে। তারপর গুজরাট। দেশে প্রতিবছর যত বিদেশি ট্যুরিস্ট আসেন তাঁদের বড় একটা অংশ যান রাজস্থানে। আকর্ষণের অন্যতম মরুভূমির মধ্যে কেল্লা আর উট। উটের দুধ ভীষণ পুষ্টিকর। উট মাল টানে। গাড়ি টানে। ফলে, গ্রামীণ অর্থনীতি আর পর্যটন, দুটো ক্ষেত্রেই মরুভূমির জাহাজ বলে পরিচিত এই প্রাণীটির অবদান প্রচুর।

ভারতে মূলত পাঁচটা প্রজাতির উট পাওয়া যায়। থর মরুভূমিতে থাকে বিকানেরি, মেওয়ারি আর জয়সলমেরি উট। আর গুজরাটের কচ্ছের রন অঞ্চলে থাকে কচ্ছি ও খাড়াই প্রজাতির উটেরা। রনের বাসিন্দা হওয়ায় এরা এবার সাঁতারে খুব পটু। এই পাঁচটা প্রজাতির সংখ্যাই সমানভাবে হুহু করে কমছে। এছাড়াও লাদাখে পাওয়া যায় একটা বিশেষ প্রজাতি যাদের বলে ব্যাকট্রেন ক্যামেল (Bactrian camel)। এদের দু’টো কুঁজ থাকে। এরা এমনিতেই বিপন্ন প্রাণীদের তালিকায় রয়েছে। সংখ্যায় তিনশোরও কম। তো উটের সংখ্যা কমে আসার কারণ কী?

একটা বড় কারণ, পশুপালক সম্প্রদায়ের তরুণ প্রজন্ম আর উট পালনে আগ্রহী নয়। দেশের মেইনস্ট্রিম লাইভস্টক উন্নয়ন প্রোগ্রামের মধ্যেও উট নেই। ফলে, উটের প্রজনন নিয়ে উটপালকদের কাছে কোনও বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণও পৌঁছয়নি। তবে মন্দের ভাল যে, বিষয়টি নজর এড়ায়নি সরকারের।

গতমাসেই উট সংরক্ষণে একটা ড্রাফট পলিসি পেপার তৈরি করেছে মত্‍স্য, পশুপালন ও দুগ্ধ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তৈরি করা হবে চূড়ান্ত পরিকল্পনা। তারপর সেটা পেশ হবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললেই উট বাঁচাতে দেশে প্রথম শুরু হয়ে যাবে ন্যাশানাল ক্যামেল সাসটেইনিবিলিটি ইনিসিয়েটিভ (National Camel Sustainability Initiative) নামে নতুন প্রকল্প।

Follow Us