Farm Laws Repeal Bill, 2021: শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই কৃষি আইন প্রত্যাহারের বিল আনছে কেন্দ্র

Parliament Winter Session: সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। আর প্রথম দিনেই 'কৃষি আইনসমূহ প্রত্যাহার বিল, ২০২১' সংসদে পেশ করা হবে। এই বিলের মাধ্যমেই তিন কৃষি আইন বাতিল করা হবে।

Farm Laws Repeal Bill, 2021: শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই কৃষি আইন প্রত্যাহারের বিল আনছে কেন্দ্র
ফাইল চিত্র।

নয়া দিল্লি : সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার সংক্রান্ত বিল আনতে পারে কেন্দ্র। সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। আর প্রথম দিনেই ‘কৃষি আইনসমূহ প্রত্যাহার বিল, ২০২১’ সংসদে পেশ করা হবে। এই বিলের মাধ্যমেই তিন কৃষি আইন বাতিল করা হবে।

গত বছরের সেপ্টেম্বর সংসদে পাশ হওয়ার পর তিন কৃষি আইন তৈরি হয়েছিল। আর তারপর থেকেই কৃষকদের একটি অংশ বিক্ষোভ শুরু করেছিল। আইন পাশের বিরোধিতা করে দীর্ঘ এক বছর ধরে দিল্লি সীমান্তে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন কৃষকরা একাংশ। কেন্দ্রের তরফে একাধিকবার বিক্ষোভরত কৃষকদের এই আইনগুলির সুবিধার কথা বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। এরই মধ্যে গুরু নানকের জন্মজয়ন্তীতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে একেবারে অপ্রত্যাশিতভাবে তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছেই হয়তো এই কথাটি অজানা যে, আমাদের দেশের ১০০ জন কৃষকের মধ্যে ৮০ জনই ছোট কৃষক। তাদের কাছে দুই হেক্টরেরও কম জমি রয়েছে। এই ছোট কৃষকদের সংখ্যা ১০ কোটিরও বেশি। আমরা কৃষকদের উন্নয়ন ও মঙ্গল কামনাতেই সয়েল হেলথ কার্ড, ইউরিয়া, উন্নত মানের বীজ প্রদান করে কৃষিকাজে যথাসাধ্য় সাহায্য করেছি। ফসল বীমা যোজনার অধীনে আরও কৃষকদের আনা হয়েছে। এরফলে বিগত চার বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে কৃষকরা।”

দেশের অন্নদাতা যারা, তারাই আর্থিক কষ্টে ভোগেন। এই দুর্দশা দূর করতেই বাকি প্রকল্পগুলির মতোই কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করতে এবং সরাসরি ক্রেতার কাছে ফসল বিক্রির সুবিধা দিতেই এই কৃষি আইন আনা হয়েছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। দেশের কৃষক, বিশেষত ছোট কৃষকরা যাতে নায্য দামে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই আইন আনা হয়েছিল।

কৃষিক্ষেত্রে সংশোধনের দাবি বহু বছর ধরেই উঠে আসছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী মোদী। এর আগেও বহু সরকার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা চিন্তা ভাবনা করেছিল। এ বারও সংসদে আলোচনার মাধ্য়মেই এই আইনগুলি আনা হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কৃষকরা ও সংগঠনগুলি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তাদের সকলকে ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিন কৃষি আইন আনার সিদ্ধান্ত দেশের অধিকাংশ কৃষকই স্বাগত জানালেও এক অংশের কৃষকরা এর বিরোধিতা করেছে। এই এক অংশের বিরোধিতাকেও সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখেছিল। সেই কারণেই আন্দোলনকারীদের নতুন কৃষি আইন সম্পর্কে বোঝাতে একাধিক প্রচেষ্টা করা হয়েছিল, এমনটাই জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশের কৃষিবিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ, কৃষি বিশেষজ্ঞরা আন্দোলনকারী কৃষকদের নতুন তিন কৃষি আইনের সুবিধা বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। আমরা দুই বছরের জন্য আইন স্থগিত রাখার প্রস্তাবও দিয়েছিলাম। আইনের যে অংশ গুলি নিয়ে তাদের সমস্যা ছিল, তা সংশোধনের প্রস্তাবও দিয়েছিলাম। এরইমধ্যে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টেও পৌঁছয়।”

আরও পড়ুন : Supreme Court on Tripura: ‘নির্বাচন স্থগিত চরম এবং শেষ পদক্ষেপ’, ২৫ নভেম্বরই ত্রিপুরায় পৌরভোটের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla