CJP on Dharmendra: ‘পাঙ্গা নিতে আসবেন না…দেশের সংবিধান জিতল’: ককরোচ
NEET: এ দিন ধর্মেন্দ্র পদত্যাগের পরই সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দিপকে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, "যাঁদের প্রাণ গিয়েছে, এই জয় সেই সকল বাচ্চাদের। আর তাঁরা ন্যায় পেয়েছেন।" একই ভাবে মুখ খুলেছেন, ককরোচ পার্টির মুখপত্র সৌরভ দাসও। তিনি বলেন, "সাড়ে ৩ টের সময় ওরা ডেকেছে। যতক্ষণ সব দাবি পূরণ না হয় আমরা ঝুঁকব না।"

নয়া দিল্লি: ‘ককরোচ জনতা পার্টির জয়’, দেশের যুব সমাজের জয়। নিট পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র বারবার ফাঁস হয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। আর শনিবার অবশেষে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। এরপর যুব আন্দোলনের কী হবে? তবে কি আন্দোলন এবার বন্ধ হবে? কী বলছেন ককরোচ নেতৃত্ব?
এ দিন ধর্মেন্দ্র পদত্যাগের পরই সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দিপকে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যাঁদের প্রাণ গিয়েছে, এই জয় সেই সকল বাচ্চাদের। আর তাঁরা ন্যায় পেয়েছেন।” একই ভাবে মুখ খুলেছেন, ককরোচ পার্টির মুখপত্র সৌরভ দাসও। তিনি বলেন, “সাড়ে ৩ টের সময় ওরা ডেকেছে। যতক্ষণ সব দাবি পূরণ না হয় আমরা ঝুঁকব না।” ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও তাঁদের দাবি ছিল, মৃত পড়ুয়াদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার। তিনি বলেন, “প্রশাসনের সবাইকে বলে দিতে চাই, দেশের যুব সমাজের সঙ্গে কোনও পাঙ্গা নিতে আসবেন না। আমাদের একতাই শক্তি। হিন্দু মুসলিম রাজনীতি ছেড়ে দিন। দেশ জিতল, দেশের যুবশক্তি জিতল, দেশের সংবিধান জিতল।”
এ দিকে আবার ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা তো হয়ে গেল। এই ইস্তফা প্রমাণ যে যদি আপনারা ভয় না পান, এই সরকারের সামনে মাথা নত না করেন, তাহলে আরও বড় বড় নেতারা পদত্যাগ করতে পারে। তাই ভয় পাবেন না। গণতন্ত্র এটা। যদি গণতন্ত্রে বলার সুযোগ না থাকলে, তাহলে সেটা কীসের গণতন্ত্র? ডরনা নেহি হ্যায়। যদি নিজের আওয়াজ তোলেন, তবেই এরা লাইনে থাকবে। আর এদের লাইনে রাখা দরকার। কারণ আজ এরা নিজেদের বাদশা ভেবে বসে আছে, এরা কিন্তু আমাদের জন্যই বসে আছে।”
