Cockroach Janta Party: দিল্লি নয়, এবার দেশজুড়ে বড় অভিযানে নামছে ককরোচরা! প্ল্যান বলে দিলেন দিপকে
Kya Bolti Public: দিল্লির আন্দোলন নিয়ে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা বলেন, "এটা শুধুমাত্র একজন মন্ত্রীর ইস্তফার দাবি ছিল না। জনগণের হৃদয়ে সরকারের প্রতি যে ভয় ছিল, তা দূর হয়েছে। এবার দেশের নাগরিকরা শুধুমাত্র প্রশ্নই করবে না, বরং প্রয়োজনে পথেও নামবে।"

নয়া দিল্লি: যন্তর মন্তরের আন্দোলনেই সীমাবদ্ধ নয়, দেশজুড়েই এবার নামছে ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)। তারা শুরু করছে একটি প্রচার অভিযান, নাম- ক্যায়া বোলতি পাবলিক (Kya Bolti Public)। শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার থেকে শুরু করে বেকারত্ব, মিডিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন তারা।
মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজি নগরে সাংবাদিক বৈঠক করে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এই প্রচার অভিযানের কথা ঘোষণা করেন। জানান, দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরবেন তারা, যুব প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। তাদের সমস্যার কথা শুনবেন।
দিপকে বলেন, “ক্যায়া বোলতি জনতা দেশজুড়ে প্রচার অভিযান হবে, যেখানে আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে যুবকদের সঙ্গে কথা বলব। আমরা ওদের সমস্যা, অভিযোগ, দাবি-দাওয়া শুনব। আমাদের দেশের ৬৫ শতাংশের বেশি জনসংখ্যারই বয়স ৩৫ বছরের নীচে। তবু আমাদের দেশের নেতারা, রাজনৈতিক দলগুলি এবং সরকার তাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে কথা বলতে রাজি নয়। সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হল হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি করা।”
দিল্লির আন্দোলন নিয়ে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা বলেন, “এটা শুধুমাত্র একজন মন্ত্রীর ইস্তফার দাবি ছিল না। জনগণের হৃদয়ে সরকারের প্রতি যে ভয় ছিল, তা দূর হয়েছে। এবার দেশের নাগরিকরা শুধুমাত্র প্রশ্নই করবে না, বরং প্রয়োজনে পথেও নামবে।”
কী ইস্যু নিয়ে প্রচার করবে সিজেপি?
এই বিষয়ে দিপকে বলেন, “শিক্ষা আমাদের প্রাথমিক ইস্যু। আমরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বদলাতে চাই। বর্তমানে শিক্ষার যা খরচ, স্কুল থেকে কলেজের ফি- সাধারণ পরিবারের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। প্রথম, দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়ার বার্ষিক ফি-ই এক থেকে দেড় লাখ টাকা। অভিভাবকদের উপরে এই ফি আর্থিক চাপ তৈরি করছে। শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করা হয়েছে।”
অভিজিৎ আরও বলেন, “দেশের অধিকাংশ জনগণের বয়সই ৩৫ বছরের নীচে। কেউ কি বড় হয়ে ডেলিভারি বয় হতে চায়? কারণ দেশে কোনও চাকরি নেই। তাই তারা বাধ্য হচ্ছে এই কাজ করতে। আমাদের দেশে বেকারত্ব একটা বড় ইস্যু। ৮০ শতাংশ বেকার যুবকেরই ডিগ্রি আছে। এখন মানুষ ভাবছে যে তারা শিক্ষিত হয়ে ভুল করছে না তো? যাদের কোনও ডিগ্রি নেই, তারাই দেশ চালাচ্ছে। বেকারত্বকে এড়ানো যায় না। জেন জ়ি-রা পথ দেখিয়েছে।”
