WITT 2025: ‘তুষ্টি নয়, দিল্লিতে সন্তুষ্টির রাজনীতি থাকবে’, রাজধানীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত

Mar 29, 2025 | 7:35 PM

WITT 2025: ২৭ বছর পর দিল্লিতে ক্ষমতায় ফিরে সেই ধারায় বদল আনার ডাক দিয়েছি গেরুয়া শিবির। শনিবার WITT-এর মঞ্চে সেই কথাই আরও একবার শোনা গেল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর কথায়।

WITT 2025: তুষ্টি নয়, দিল্লিতে সন্তুষ্টির রাজনীতি থাকবে, রাজধানীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত

Follow Us

শনিবার টিভি৯ নেটওয়ার্কের গ্লোবাল সামিট হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে ২০২৫-এর তৃতীয় সংস্করণে, উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তও। WITT 2025-এর মঞ্চে এসেই দিল্লির রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় কথা বললেন তিনি। বিরোধীদের তুষ্টীকরণের রাজনীতি নিয়ে বরাবরই সরব বিজেপি। এবার ২৭ বছর পর দিল্লিতে ক্ষমতায় ফিরে সেই ধারায় বদল আনার ডাক দিয়েছি গেরুয়া শিবির। শনিবার WITT-এর মঞ্চে সেই কথাই আরও একবার শোনা গেল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। তিনি বলেন, “দিল্লিতে বসবাসকারী প্রত্যেকেই সমস্ত অধিকার পাবে। তুষ্টির রাজনীতি থাকবে না, সন্তুষ্টির রাজনীতি থাকবে।”

মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত কথায় ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং মোদীজি সেরার সেরা সন্ধান করেন। খানিকটা শায়েরি করে তিনি বলেন, “মিল যায়ে দরিয়া তো সমন্দর তলাশ কর! পত্থর সে শীশা টুটতে তো হ্যায় বহুত পর, ওহ শীশা তলাশ কর জিসসে পত্থর টুট জায়ে!”

তিনি বলেন, আমার সাংগঠনিক যাত্রা প্রায় ত্রিশ বছরের দীর্ঘ। দিল্লির ছাত্র ইউনিয়ন নির্বাচন থেকে শুরু করে কাউন্সিলর নির্বাচন, সংগঠনের দায়িত্ব, সবসময়ই আমি জনসাধারণের ভালবাসা ও সমর্থন এবং আমার সংগঠনের সহকর্মীদের আশীর্বাদ পেয়েছি। নেতৃত্বের আস্থা এবং জনসাধারণ ও সহকর্মীদের সমর্থন ও আশীর্বাদ তার এখানে পৌঁছানোর পথ প্রশস্ত করেছে।

রেখা গুপ্তা জানান, তাঁর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করার আগে তিনি কোনও ফোন পাননি। ঘোষণাটি সরাসরি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি শুধু এটুকু বলব যে আমি এই পদ নিয়ে ভাবিনি এবং আমার কোনও ইচ্ছাও ছিল না। দল আপনাকে যে দায়িত্বই দিক না কেন, সেই দায়িত্ব পালন করে চলুন এবং সেই আনুগত্যের সঙ্গে কাজ করুন।”

তিনি বলেন, “দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দায়িত্ব সমগ্র দিল্লির জনগণের প্রতি এবং আমার প্রচেষ্টা সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলা। আমাদের সমাজে ভালো অনুভূতি নিয়ে বাস করতে হবে। দিল্লির জনগণের জন্য যে সম্পদ তৈরি করা হয়েছে তা দিল্লির। দিল্লির প্রতিটি মানুষ দিল্লির জনগণের অধিকার পাবে এবং এতে কোনও শিথিলতা থাকবে না।”