Aishe ghosh: গ্রেফতার করা যাবে না ঐশীকে, নির্দেশ দিল আদালত
সেই কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করতে হাজির হয় পুলিশ, এমনই অভিযোগ করে সিপিএম। তবে, দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, ২০২১-এর একটি মামলার প্রেক্ষিতে ওয়ারেন্ট এনেছে। সেই ঘটনায় এবার স্বস্তি পেলেন ঐশী ঘোষের। ২০২১ -এ দায়ের হওয়া জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট।

নয়া দিল্লি: একেবারে ‘গ্রেফতারি পরোয়ানা’ হাতে নিয়ে এসএফআই-এর যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষের খোঁজে সিপিএম-এর সদর দফতরে গিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। ‘ককরোচ’-দের আন্দোলনে প্রথম থেকেই সামিল হয়েছিলেন সিপিএম-এর ছাত্র সংগঠনের নেত্রী। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করতে হাজির হয় পুলিশ, এমনই অভিযোগ করে সিপিএম। তবে, দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, ২০২১-এর একটি মামলার প্রেক্ষিতে ওয়ারেন্ট এনেছে। সেই ঘটনায় এবার স্বস্তি পেলেন ঐশী ঘোষের। ২০২১ -এ দায়ের হওয়া জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট।
২০২১ সালে কলকাতায় এসএফআই-ডিওয়াইএফই-এর সিএএ (CAA) এনআরসি (NRC) বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের লাঠিপেটার বিরুদ্ধে দিল্লিতে বঙ্গভবনের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান ঐশী ঘোষ। সেই মামলাতেই পাঁচ বছর পর তাঁকে হঠাৎ গতকাল দিল্লির এ.কে গোপালন ভবন (AK gopal Bhawan) থেকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। তবে, বাম কর্মীরা ঢুকতে বাধা দেন পুলিশকে। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভার সাংসদ জন ব্রিটাসও। সমাজ মাধ্যমে পোস্ট হওয়া একটি ভিডিয়ো দেখা যায়, পুলিশের সঙ্গে কার্যত তর্কে জড়িয়েছেন তিনি। ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবিও। এই প্রসঙ্গে বলেন, “গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপরে ভয়াবহ আঘাত।”
অপরদিকে, ঐশীর খোঁজে আসায় তীব্র নিন্দায় সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলিও। রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ বামেদের পক্ষে সওয়াল করেছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্রও। তবে, বিরোধীদের এই অভিযোগকে উড়িয়ে দেন রাজ্যসভায় বিজেপির দলনেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা। তাঁর দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মঙ্গলবার রুটিন তল্লাশি চালায় পুলিশ।
