AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

DRI: গাড়ি চালকের চোখের মণির রিফ্লেকশন দেখেন দুঁদে কর্তারা! ব্যস, যা ধরা পড়ল…

DRI Seizes Gold: আটক করার পর গাড়িটিতে সাধারণ তল্লাশিতে প্রথমে কিছু মেলেনি। তবে গোয়েন্দাদের সন্দেহ হওয়ায় যাত্রীদের টানা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয় এবং গাড়িটিতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালানো হয়। এরপরই সামনে আসে পাচারকারীদের ট্রিকস।

DRI: গাড়ি চালকের চোখের মণির রিফ্লেকশন দেখেন দুঁদে কর্তারা! ব্যস, যা ধরা পড়ল...
ডান দিকে প্রতীকী চিত্রImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 11, 2026 | 7:28 PM
Share

বিশাখাপত্তনম: অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এক রুদ্ধশ্বাস অভিযানের পর প্রায় ৮.৯৮ কোটি টাকা মূল্যের বিদেশি সোনা বাজেয়াপ্ত করল ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (DRI)। কলকাতা থেকে হায়দরাবাদগামী একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৫,৮৩২.৯০ গ্রাম (প্রায় ৫.৮৩ কেজি) ২৪ ক্যারেট সোনা উদ্ধার করা হয়েছে।এই ঘটনায় গাড়িতে থাকা দুই যাত্রীকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

জাতীয় সড়কে ফিল্মি কায়দায় তাড়া

গোপন সূত্রে সুনির্দিষ্ট খবর পেয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে জাতীয় সড়কে কড়া নজরদারি চালাচ্ছিলেন ডিআরআই কর্মকর্তারা। কলকাতা থেকে আসা একটি সন্দেহভাজন গাড়িকে থামানোর চেষ্টা করলে সেটি গতি বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে।এরপর বেশ কিছু দূর ফিল্মি কায়দায় তাড়া করার পর গাড়িটিকে ধরে ফেলেন কর্মকর্তারা। গাড়িতে দুই যাত্রী সওয়ার ছিলেন।

সিটের নিচে গোপন কুঠুরি

আটক করার পর গাড়িটিতে সাধারণ তল্লাশিতে প্রথমে কিছু মেলেনি। তবে গোয়েন্দাদের সন্দেহ হওয়ায় যাত্রীদের টানা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয় এবং গাড়িটিতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালানো হয়। এরপরই সামনে আসে পাচারকারীদের ট্রিকস। দেখা যায়, সামনের সহ-যাত্রী (কো-প্যাসেঞ্জার) সিটের পায়ের অংশের নিচে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে একটি গোপন কুঠুরি (ক্যাভিটি) তৈরি করা হয়েছিল। সেই গোপন কুঠুরির ভেতর থেকেই তিনটি প্যাকেটে মোড়ানো ৫,৮৩২.৯০ গ্রাম ওজনের সোনা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ২৪ ক্যারেট সোনার বিশুদ্ধতা ৯৯৯ এবং বর্তমান বাজার অনুযায়ী এর মূল্য ৮ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকা।

বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পাচারের ছক

ডিআরআই কর্মকর্তাদের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এই বিদেশী সোনা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করানো হয়েছিল। এরপর কলকাতা থেকে সড়কপথে তা হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬২-এর অধীনে উদ্ধারকৃত সোনা এবং পাচারে ব্যবহৃত গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত দুই আসামিকে স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের জুডিশিয়াল কাস্টডি বা জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই আন্তর্জাতিক সোনা পাচার চক্রের পেছনে আর কারা জড়িত, তা জানতে ডিআরআই তদন্ত জারি রেখেছে।

Follow Us