Driverless metro in Bengaluru: চালক ছাড়াই চলবে মেট্রো! ৭ জুন থেকেই শুরু ট্রায়াল রান, কবে চালু পরিষেবা?
Driverless metro in Bengaluru: অদূর ভবিষ্যতেই চালু হচ্ছে চালকবিহীন মেট্রো ট্রেন। বৃহস্পতিবার (৩০ মে), বিএমআরসিএল জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই এর জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। ৭ জুন থেকে শুরু হবে সিগন্যালিং পরীক্ষা। ডিসেম্বর মাসেই ইয়েলো লাইনে শুরু হবে চালকবিহীন ট্রেন চলাচল।

বেঙ্গালুরু: অদূর ভবিষ্যতেই বেঙ্গালুরুতে চালু হচতে চলেছে চালকবিহীন মেট্রো ট্রেন। বৃহস্পতিবার (৩০ মে), বিএমআরসিএল জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই এর জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। ৭ জুন থেকে শুরু হবে সিগন্যালিং পরীক্ষা। বেঙ্গালুরু মেট্রোর ঊর্ধ্বতন কর্তারা জানিয়েছেন, ডিসেম্বর মাসেই আরভি রোড থেকে বোমাসান্দ্রা রুটে, অর্থাৎ, ইয়েলো লাইনে চালকবিহীন ট্রেন চলাচল শুরু হবে। বিএমআরসিএল আরও জানিয়েছে, প্রতি ২০ মিনিটে অন্তর এই লাইনে চালকবিহীন মেট্রো ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। মোট ৫৭টি ট্রেন চলবে। প্রাথমিকভাবে একমুখী যাত্রাই করবে চালকবিহীন মেট্রোগুলি। পরে আসা এবং যাওয়া – দুই দিকেই চলবে ট্রেনগুলি।
এর জন্য, ইতিমধ্যেই ১৮.৮২ কিলোমিটার এলিভেটেড রুট বরাবর ১৬টি স্টেশনে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু, কমিউনিকেশন ভিত্তিক ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেমে চলা ট্রেনগুলি সরবরাহে দেরি হচ্ছে বলেই চালকবিহীন মেট্রো ট্রেন পরিষেবা এখনও শুরু করা যাচ্ছে না। এই ট্রেনগুলি সরবরাহ করছে চিনা সংস্থা, সিআরআরসি নানজিং পুজেন। এই ট্রেন বেঙ্গালুরুতে আসার পরপরই বোমাসান্দ্রা এবং বোম্মানহাল্লির মধ্যে চালকবিহীন ট্রেনের একটি পরীক্ষামূলক যাত্রা হয়েছিল। এই ট্রেনগুলি চালাতে অতিরিক্ত শক্তি লাগবে। ২০ মে বোম্মানহাল্লি এবং আরভি রোডের মধ্যে শক্তি বৃদ্ধির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন পুরো পথে ট্রেনটি চালিয়ে পরীক্ষা করা যাবে।
সিগন্যালের পরীক্ষা ছাড়াও পরীক্ষী হবে থার্ড রেলের। ৭৫০ ভোল্টের এই ট্র্যাকটিই ট্রেন চালানোর প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করবে। এছাড়া, আগামী কয়েকদিনে ট্রেনের পারফরম্যান্স পরীক্ষাও হবে। সূত্রের খবর, ট্রেনটি প্রথমে ধীর গতিতে এবং পরে প্রস্তাবিত গতিতে চালানো হবে। চালকবিহীন দ্বিতীয় ট্রেনটি আসছে অগস্টে। এরপর, সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরও তিনটি ট্রেন আসবে। এই ছয়টি ট্রেনের মধ্যে পাঁচটি ডিসেম্বর থেকেই চলতে শুরু করবে। অপর ট্রেনটিকে ব্যাকআপ হিসেবে রাখবে বিএমআরসিএল। পাঁচটি ট্রেনের কোনোটি খারাপ হয়ে গেলে, ওই বিকল্প ট্রেনটিকে কাজে লাগানো হবে। ফলে, ট্রেন খারাপ হওয়ায় পরিষেবা থমকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
