IAS Nandini Chakravorty in Delhi: অভিযুক্ত আধিকারিকদের নিয়ে ‘গড়িমসি’ করছে রাজ্য, কমিশনের প্রশ্নে বিদ্ধ মুখ্যসচিব
Election Commission of India: রাজ্য়ের প্রশাসনিক পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে সময় মতো আধিকারিকদের এক কাজ থেকে অন্য কাজের জন্য স্থানান্তর করা যায়নি। এই প্রসঙ্গেই ফের নবান্নকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নয়াদিল্লির অভিযোগ, যে সকল আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে রাজ্য ব্যবস্থা নিতে 'গড়িমসি' করছে।

নয়াদিল্লি: জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের প্রশ্নের মুখে বাংলার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। এমনকি, বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্য়ে শেষ না-হওয়ার নেপথ্য়েও বাংলার সরকারের দিকেই দায় ঠেলেছে কমিশন। সূত্রের খবর মুখ্য়সচিবকে বলা হয়েছে, যে সকল পদমর্যাদার আধিকারিকদের এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য চাওয়া হয়েছিল, তা যথা সময়ে না-পাওয়ায় সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে। নির্ধারিত সময় শেষ করা যায়নি নিবিড় পরিমার্জনের কাজ।
অবশ্য, কমিশনের এই যুক্তির পাল্টা ‘রাজপাটের’ কথা তুলে ধরেন মুখ্য়সচিব। তাঁর দাবি, রাজ্য়ের প্রশাসনিক পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে সময় মতো আধিকারিকদের এক কাজ থেকে অন্য কাজের জন্য স্থানান্তর করা যায়নি। এই প্রসঙ্গেই ফের নবান্নকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নয়াদিল্লির অভিযোগ, যে সকল আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে রাজ্য ব্যবস্থা নিতে ‘গড়িমসি’ করছে।
উল্লেখ্য, বাংলার এসআইআর ঘিরে কমিশনের ‘দরবারে’ দায়ের হয়েছে একাধিক অভিযোগ। রাজ্যকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দিতে বলেছিল কমিশন, কিন্তু তা দেয়নি নবান্ন। পাশাপাশি, এসআইআর কাজ নিয়ে রাজ্যের চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তাও হয়নি। তাই এই সকল অসমাপ্ত কর্মকাণ্ডের নেপথ্য়ে রাজ্যের যুক্তি কী? তা জানতেই তলব করা হয়েছিল মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সমন মেনে হাজিরাও দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার দুপুরেই দিল্লি পৌঁছে যান মুখ্যসচিব। তারপরই বিদ্ধ হলেন প্রশ্নের মুখে।
এদিনের বৈঠকে উঠে আসে বাংলার নির্বাচনের কথাও। সূত্রের খবর, মুখ্যসচিবের থেকে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে নির্দেশিকা অনুযায়ী অফিসার ট্রান্সফারের আপডেট নেয় কমিশন। ভোটের আগে প্রশাসনিক পরিকাঠামোর প্রস্তুতি কোন পর্যায়ে, মুখ্য়সচিবের থেকে সেই মর্মেও তথ্য চেয়েছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। রাজ্য সরকার যে তথ্য দেবে, সেই ভিত্তিতেই কমিশন কত দফায় ভোট করা সম্ভব, তা নির্ধারণ করবে। পর্যাপ্ত পুলিশ এবং পরিকাঠামো ঠিক মতো পাওয়া গেলে, তবেই ভোটের দফা কমানো সম্ভব।
