Election Commission:SIR বিতর্কের মধ্যেই কড়া কমিশন! বিদেশ সফর থেকে পারফরম্যান্স রিপোর্ট, একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত কমিশনের
Election Commission internal reforms: নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিদেশ সফরের ক্ষেত্রেও নিয়ম স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনও আধিকারিক বিদেশ সফরে গেলে তার জন্য নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে। অর্থাৎ কমিশনের অনুমোদন ছাড়া আধিকারিকদের বিদেশ সফরের সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।

নয়া দিল্লি: এসআইআর বিতর্কের মধ্যেই নিজেদের অভ্যন্তরীণ কাজকর্মে আরও স্বচ্ছতা আনতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বৈঠকের এজেন্ডা আগে থেকে জানানো থেকে শুরু করে বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশ, আধিকারিকদের বিদেশ সফরে কমিশনের অনুমোদন ইত্যাদি একাধিক বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকের এজেন্ডা জানাতে হবে আগে
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এখন থেকে কমিশনের প্রতিটি বৈঠকের আলোচ্যসূচি বা এজেন্ডা আগে থেকেই সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে। শুধু তাই নয়, বৈঠক শেষ হওয়ার পর তার ‘মিনিটস’ বা কার্যবিবরণীও জারি করা হবে। অর্থাৎ বৈঠকে কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার আনুষ্ঠানিক নথি থাকবে।
আধিকারিকদের পারফরম্যান্স রিপোর্ট
কমিশনের সমস্ত আধিকারিকের পারফরম্যান্স রিভিউ করা হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই রিপোর্ট সম্পূর্ণ করতে হবে। প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধিকারিকদের কাজের বার্ষিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা মেনে চলতে হবে।
বিদেশ সফরেও লাগবে কমিশনের অনুমোদন
নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিদেশ সফরের ক্ষেত্রেও নিয়ম স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনও আধিকারিক বিদেশ সফরে গেলে তার জন্য নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে। অর্থাৎ কমিশনের অনুমোদন ছাড়া আধিকারিকদের বিদেশ সফরের সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
একইসঙ্গে কমিশনাররা নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের যে সমস্ত নির্দেশ দেবেন, সেগুলি যথাযথভাবে পালন করতে হবে বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে। কমিশনারদের নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে কোনওরকম গাফিলতি যাতে না থাকে, সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে।
SIR এবং নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে বিতর্কের আবহে কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তগুলি জানানো হয়েছে।
