EC on Mamata Banerjee: ‘মাইক্রো-অবজারভারের নাম করে মুখ্যমন্ত্রী টার্গেট করেছেন’, মমতার নামে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা কমিশনের
Election Commission: এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করতে দ্রুত সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছে। বুধবার শীর্ষ আদালতের এজলাসে দাঁড়িয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনকে হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। প্রধান বিচারপতির সামনে কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে একের পর এক সওয়াল করেন তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা। আর এবার পাল্টা আসরে কমিশন।

নয়া দিল্লি: বাংলায় SIR-এর কাজে যুক্ত কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস এবং ভয় দেখানো কার্যত প্রবণতায় পরিণত হয়েছে। আর এর জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (EC)। এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করতে দ্রুত সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছে। বুধবার শীর্ষ আদালতের এজলাসে দাঁড়িয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনকে হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। প্রধান বিচারপতির সামনে কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে একের পর এক সওয়াল করেন তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা। আর এবার পাল্টা আসরে কমিশন।
কমিশনের হলফনামায় কী কী দাবি করা হয়েছে?
উস্কানিমূলক বক্তব্য- মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেছেন। যা কমিশনের আধিকারিকদের মধ্যে এক আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি করছে।
মমতার সাংবাদিক বৈঠকের উদাহরণ- গত ১৪ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠকের উদাহরণ টেনে জানানো হয়েছে, হরি দাস নামে একজন মাইক্রো-অবজারভারের নাম করে মুখ্যমন্ত্রী টার্গেট করেছেন।নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে মুর্শিদাবাদে নয় জন মাইক্রো অবজারভার পশ্চিমবঙ্গের CEO-কে চিঠি লিখে কাজ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন।
SIR-এর শুনানি কেন্দ্রে হামলা- গত ১৫ জানুয়ারী উত্তর দিনাজপুরে SIR কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে সাতশো জন। প্রশ্ন তোলা হয়েছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও।
নিরাপত্তা ইস্যু- রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণেই এই পরিস্থিতি।পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য যেখানে এই ধরণের পরিস্থিতি। অন্য রাজ্যে SIR প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে এই ধরনের সমস্যা নেই। এবং পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য যেখানে CEOকে কেন্দ্রকে Y ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দিতে হয়েছে।
তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “দেখুন নিজেদের দোষ ঢাকতে অনেক মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কমিশন এটা আজ সকলেই জানে। অনেকাংশে সুপ্রিম কোর্টও স্বীকার করেছে। কোর্ট প্রশ্ন করেছে কেন অন্য রাজ্য থেকে মাইক্রঅবজারভারকে দিয়ে কাজ চলবে?” অপরদিকে, বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কিছু মাইক্রো-অবজারভারদের অডিয়ো কল ভাইরাল। কীভাবে তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে সবটা প্রকাশ্যে।”
