AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Dhanuskodi: একটা ট্রেন, তার সব যাত্রীই মৃত! অভিশপ্ত এই শহরের কথা জানে না অনেকেই, কেন রাতারাতি মুছে গেল আস্ত শহর?

Dhanuskodi City: ভারত-শ্রীলঙ্কার মধ্যে ১৯৭৪ সালে সাক্ষরিত হয় আন্তর্জাতিক জলসীমান্ত চুক্তি। হিসাব মতো এর পরই দু’দেশের মধ্যে এই যাতায়াত বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হয়েছে তারও অন্তত ১০ বছর আগে। কেন?

Dhanuskodi: একটা ট্রেন, তার সব যাত্রীই মৃত! অভিশপ্ত এই শহরের কথা জানে না অনেকেই, কেন রাতারাতি মুছে গেল আস্ত শহর?
ধনুষকুড়ি।Image Credit: TV9 বাংলা
| Edited By: | Updated on: Feb 05, 2025 | 2:18 PM
Share

চেন্নাই: ধনুষকোডি বা ধনুষকুড়ি। দেশের শেষ প্রান্তের এক ছোট্ট শহর। এই শহর থেকে পড়শি দেশ শ্রীলঙ্কার দূরত্ব মাত্র ৩১ কিলোমিটার। ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত এই শহরের উপর দিয়েই ভারত-শ্রীলঙ্কার মধ্যে নিত্য যাতায়াত ছিল সাধারণ মানুষজনের। কখনও ব্যবসা, কখনও তীর্থের জন্য সেখানে যেতেন অনেকে। তার জন্য ধনুষকোডি থেকে শ্রীলঙ্কার শহর তালাইমানারের মধ্যে ফেরি পরিষেবাও ছিল। তখনও দু’দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমানা গড়ে ওঠেনি। ফলে যাতায়াতে বাধানিষেধও ছিল না।

ভারত-শ্রীলঙ্কার মধ্যে ১৯৭৪ সালে সাক্ষরিত হয় আন্তর্জাতিক জলসীমান্ত চুক্তি। হিসাব মতো এর পরই দু’দেশের মধ্যে এই যাতায়াত বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হয়েছে তারও অন্তত ১০ বছর আগে। কেন? একটা ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে। যা সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল গোটা শহরটাকেই।

ধনুষকুড়ির রাস্তা।

এই ঘূর্ণিঝড়ই লণ্ডভণ্ড করে দেয় শহরটাকে। ১৯৬৪ সালের ২২-২৩ ডিসেম্বরের সেই ঘূর্ণিঝড় রামেশ্বরম সাইক্লোন বা ধনুষকোডি সাইক্লোন বলে পরিচিত। যা ২৮০ কিলোমিটার গতিবেগে বয়ে গিয়েছিল শহরটার উপর দিয়ে। দ্বীপ শহর ধনুষকোডির ২৩ ফুট উপরে লাফিয়ে উঠেছিল সমুদ্রের জলরাশি। লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল গোটা এলাকা। শহরের বেশির ভাগটাই চলে গিয়েছিল জলের তলায়। অন্তত ১৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

জানা যায়, ১১৫ যাত্রী নিয়ে রামেশ্বরমের পাম্বান থেকে ধনুষকোডি পর্যন্ত একটি যাত্রীবাহী ট্রেন যাচ্ছিল সে সময়। ঘূর্ণিঝড়ে ট্রেনের সমস্ত যাত্রীই মারা যান। পাম্বান থেকে ধনুষকোডি পর্যন্ত একটা রেলব্রিজ ছিল। সেটাও পুরো ধ্বংস হয়ে যায়। পোস্ট অফিস, রেল স্টেশন ছাড়াও এই শহরে শুল্ক অফিস, দুটো স্বাস্থ্যকেন্দ্র, একটা রেলওয়ে হাসপাতাল, পঞ্চায়েত এবং একটা হাইস্কুলও ছিল। ছিল বন্দরের অফিসও। আজও সেগুলির ভগ্নাবশেষই শুধু রয়ে গিয়েছে।