Ram Mandir Donation Stolen: ওয়াশরুমই ছিল লকার! কোন সময়ে অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে সবথেকে বেশি টাকা চুরি হত?
Ram Mandir funds: এর মধ্যে লভকুশ মিশ্র ও অনুকল্প মিশ্র-ই সবথেকে বেশি টাকা চুরি করেছেন। রাম মন্দিরের অনুদানের টাকা চুরি করে এরা বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিল। পুলিশ ইতিমধ্যে ছয় জায়গায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ আয়কর বিভাগের সাহায্য নিচ্ছে আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির হিসাব করার জন্য।

অযোধ্যা: রাম মন্দিরের দান বাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা চুরি। অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) টাকা চুরি নিয়ে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। জানা গেল, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela) চলাকালীন রাম মন্দিরের দান বাক্স (Money Stolen from Donation Box) থেকে সবথেকে বেশি টাকা চুরি গিয়েছিল!
অযোধ্যা পুলিশ জানিয়েছে, রাম মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই দান বাক্স থেকে টাকা চুরি যাচ্ছিল। কুম্ভ মেলার সময় যেহেতু বিপুল পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছিল রাম মন্দিরে, সেই সময় অনুদানও এসেছিল প্রচুর। ভক্তদের দেওয়া সেই টাকাই সরিয়ে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। বিপুল অঙ্কের টাকা চুরি যায় কুম্ভ মেলার সময়।
উত্তর প্রদেশ সিট ইতিমধ্যে আটজনকে গ্রেফতার করেছে। অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প শুক্লা, লভকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব ও রামশঙ্কর ওরফে টিন্নু যাদবকে জেরা করা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, এই আটজনই গোটা ষড়যন্ত্র করেছিল।
এর মধ্যে লভকুশ মিশ্র ও অনুকল্প মিশ্র-ই সবথেকে বেশি টাকা চুরি করেছেন। রাম মন্দিরের অনুদানের টাকা চুরি করে এরা বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিল। পুলিশ ইতিমধ্যে ছয় জায়গায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ আয়কর বিভাগের সাহায্য নিচ্ছে আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির হিসাব করার জন্য।
এসবিআই কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, অযোধ্যা পুলিশ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কাছে চিঠি লিখবে আর্থিক কেলেঙ্কারির জন্য।
পুলিশ জানিয়েছে, আনুমানিক সাড়ে আট কোটি টাকা চুরি গিয়েছে রাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে। যে আট অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম অবিনাশ শুক্লার বাড়ি থেকে ৫৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মন্দিরের চারটি দান বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে তাঁর যোগা সেন্টার থেকে। কম্বলে মোড়ানো ছিল টাকা। টিন্নু যাদবের বাড়ি থেকেও টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। জেরায় জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা সিসিটিভি আড়াল করে দান বাক্স থেকে টাকা চুরি করত। সেই টাকা লুকিয়ে রাখা হত মন্দির চত্বরের বাথরুমে।
