India-USA Trade Deal: কাঁটা দিয়েই কাঁটা তুলল ভারত, আমেরিকার সঙ্গে সমঝোতায় লাভ হবে ভারতীয় কৃষকদেরই
How India Tackle Agri Script: তবে এই সমঝোতার মাধ্য়মে ভারতের বাজার মার্কিন-কৃষি পণ্য বিশেষ জায়গা করে উঠতে না পারলেও, ট্রাম্পের দেশে তা পেরেছে নয়াদিল্লি। বাণিজ্যমন্ত্রীর কথায়, "আমাদের একাধিক কৃষিপণ্য কোনও শুল্ক ছাড়াই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।" ভারতীয় চা, কফি এবং নারকেলে তেলে কোনও রকম শুল্ক চাপাবে না আমেরিকা।

নয়াদিল্লি: অন্তর্বর্তী বাণিজ্যিক সমঝোতায় সম্মত হয়েছে ভারত-আমেরিকা। শনিবার ভোরে (ভারতীয় সময়) একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্য়মে এই সমঝোতার নানাবিধ দিক প্রকাশ করেছে দুই পক্ষ। ভারতীয় পণ্য়ের উপর চাপানো বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সার্বিক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামানো হয়েছে। তবে এই চুক্তির সবচেয়ে নজরকাড়া দিক একটি, তা হল কৃষিপণ্য। যে প্রচ্ছদে গিয়ে বারংবার আটকে যাচ্ছিল বাণিজ্যিক আলোচনা। অন্তর্বতী সমঝোতায় সেখানে জয় দেখা গিয়েছে ভারতের। ট্রাম্প কার্ড খেলেছে নয়াদিল্লি। কিন্তু কীভাবে? উত্তর দিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।
ভারত-আমেরিকার এই অন্তর্বর্তী বাণিজ্যিক সমঝোতায় ‘সেফগার্ড’ হয়েছে ভারতীয় কৃষক এবং দেশের ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প। শনিবার অন্তর্বর্তী সমঝোতায় সম্মতি জানানোর পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই কথাই জানালেন বাণিজ্য়মন্ত্রী। এদিন তিনি বলেন, “কোনও মার্কিন কৃষিজাত পণ্যকে ভারতীয় বাজারে গুরুত্ব দেওয়া হবে না। তবে বেশ কয়েকটি মার্কিন পণ্যের জন্য ভারতীয় বাজার উন্মুক্ত করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “যে সকল পণ্যের ক্ষেত্রে ভারত আত্মনির্ভর সেগুলিকে এই সমঝোতার বাইরে রাখা হয়েছে।”
তবে এই সমঝোতার মাধ্য়মে ভারতের বাজার মার্কিন-কৃষি পণ্য বিশেষ জায়গা করে উঠতে না পারলেও, ট্রাম্পের দেশে তা পেরেছে নয়াদিল্লি। বাণিজ্যমন্ত্রীর কথায়, “আমাদের একাধিক কৃষিপণ্য কোনও শুল্ক ছাড়াই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।” ভারতীয় চা, কফি এবং নারকেলে তেলে কোনও রকম শুল্ক চাপাবে না আমেরিকা। এছাড়াও কলা, আম, অ্যাভোকাডো, কিউয়ি, পেঁপের মতো একাধিক ফল, বেশ কিছু শাক-সবজি বিনা শুল্কেই প্রবেশ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। এই সমঝোতার মাধ্য়মে চিন ও শ্রীলঙ্কাকেও অনেকটাই মাত দেবে ভারত। কারণ, বর্তমানে চা রফতানির নিরিখে অনেকটাই এগিয়ে তাঁরা। কিন্তু এবার সেই জায়গার দখল নিতে পারবে নয়াদিল্লি।
