Job Fraud: দুবাইয়ে কাজের টোপ দিয়ে লক্ষ টাকার প্রতারণা, ছেলে ফিরে না আসায় পুলিশের দরজায় বাবা
Job Fraud in Dubai: অভিযোগকারী সুজিত নস্কর জানান, এলাকারই ইন্দ্রদূল সাকি নামে এক এজেন্ট তাঁর ছেলে রিশান নস্করকে দুবাইয়ের হাসপাতালে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই মতো ওই এজেন্টের হাতে ১ লক্ষ টাকা তুলেও দিয়েছিলেন সুজিতবাবু।

বিষ্ণুপুর: বিদেশে মোটা বেতনের চাকরির টোপ। ফাঁদে পা দিয়ে ফাঁপড়ে গোটা পরিবার। বাড়ির ছেলে আটকে দুবাইতে। চাকরির জন্য দিতে হয়েছিল এক লক্ষ টাকা। চাকরি তো হয়নি, উল্টে এখন ফিরিয়ে আনতে চাওয়া হচ্ছে আরও দেড় লক্ষ টাকা। কোনও উপায় না পেয়ে অবশেষে পুলিশের দ্বারস্থ বাবা। ঘটনার কথা জানানো হল পুলিশের সুপার থেকে ব্লক ডেভলপমেন্ট আধিকারিকের অফিসেও। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানার আমগাছিয়া পঞ্চায়েতের উত্তর কাস্টমহল গ্রামে। অভিযোগের তীর এক এজেন্টের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী সুজিত নস্কর জানান, এলাকারই ইন্দ্রদূল সাকি নামে এক এজেন্ট তাঁর ছেলে রিশান নস্করকে দুবাইয়ের হাসপাতালে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই মতো ওই এজেন্টের হাতে ১ লক্ষ টাকা তুলেও দিয়েছিলেন সুজিতবাবু। গত ১৪ জানুয়ারি রিশানকে দুবাই পাঠানো হয়। কিন্তু দুবাই পৌঁছনোর পরই স্বপ্নভঙ্গ হয় রিশানের।
পরিবারের অভিযোগ, কথা মতো হাসপাতালে কাজ দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে তাকে দুবাই থেকে দূরের একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অন্য একটি সংস্থার কাজে জোর ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু রিশান সেই কাজ করতে না পারায় বর্তমানে তাকে একটি ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।
ছেলেকে না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সুজিতবাবু। তিনি বলছেন, “ছেলে জানিয়েছে, সেখানে তাকে ঠিকমতো খেতে দেওয়া হচ্ছে না। হাতে টাকাপয়সাও নেই। ও বাঁচতে চায়। আমি এজেন্টকে বলি ছেলেকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে। কিন্তু এজেন্ট বলছে ছেলেকে ফেরাতে হলে আরও দেড় লক্ষ টাকা দিতে হবে।” শেষমেশ কোনও উপায় না দেখে অসহায় বাবা পুলিশ সুপার, বিডিও এবং স্থানীয় থানার দ্বারস্থ হয়েছেন।
