AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Partha Chatterjee: ‘জেলে বসেও সক্রিয় ছিলাম…’, রাজনীতিতে ‘কামব্যাক’ নিয়ে কী বলছেন পার্থ?

Partha Chatterjee: খোলসা করে কিছুই বলেননি তিনি। শুধু বললেন, "আমি ফিজিওথেরাপির প্রথম পার্টে আছি। ৯০ শতাংশ শারীরিক সুস্থ। ১০০ শতাংশ মানসিক বল আছে। সেটা সম্বল করেই এগোচ্ছি। আর ২৫ বছর যারা একই কেন্দ্র থেকে পাঁচবার জিতিয়েছে। আমি তাদের কাছে বলতে চাই আমি তোমাদের লোক।" সঙ্গে এও যোগ করলেন, "পার্থ চ্যাটার্জি একরিয়াম এর মাছ নয় । আমি জলের মাছ। জল বিষাক্ত হলে মাছ মরে যায়। আর কই হলে ডাঙায় ওঠে। আমি এখনও জানি না জল বিষাক্ত হয়েছে কি না।"

Partha Chatterjee: 'জেলে বসেও সক্রিয় ছিলাম...', রাজনীতিতে 'কামব্যাক' নিয়ে কী বলছেন পার্থ?
পার্থ চট্টোপাধ্যায়Image Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 07, 2026 | 8:25 PM
Share

কলকাতা: দীর্ঘ তিন বছর তিন মাস জেলবন্দি থাকার পর ফিরেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বর্তমানে সদস্য হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার গ্রন্থাগার কমিটি, অবাসন ও অগ্নিনির্বাপণ জরুরি পরিষেবা কমিটি এবং বিপর্যয় মোকাবিলা সংক্রান্ত কমিটির। কিন্তু এই সব কিছুর মধ্যেও রাজনীতির অলিগলিতে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে ছাব্বিশের নির্বাচনে বেহালায় ফের কি দাঁড়াবেন তিনি। ফিরছেন সক্রিয় রাজনীতিতে?

রাজনীতির সক্রিয়তা

টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পার্থ জানিয়েছেন তিনি বারেবারে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজনীতিতে কোনও দিনই তিনি নিষ্ক্রিয় ছিলেন না। যখনই তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে তখনই তিনি এই কথাটি বুঝিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আমি বলব না। আমি নিষ্ক্রিয় নই। জেলে বসে সংগঠন করতে পারতাম। কারাবাসের পর ফিরে এসেছি। আমি আত্মবিশ্বাসী,আনুগত্য আছে।”

পার্থ কি ফিরছেন?

খোলসা করে কিছুই বলেননি তিনি। শুধু বললেন, “আমি ফিজিওথেরাপির প্রথম পার্টে আছি। ৯০ শতাংশ শারীরিক সুস্থ। ১০০ শতাংশ মানসিক বল আছে। সেটা সম্বল করেই এগোচ্ছি। আর ২৫ বছর যারা একই কেন্দ্র থেকে পাঁচবার জিতিয়েছে। আমি তাদের কাছে বলতে চাই আমি তোমাদের লোক।” সঙ্গে এও যোগ করলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায় অ্যাকোরিয়ামের মাছ নয় । আমি জলের মাছ। জল বিষাক্ত হলে মাছ মরে যায়। আর কই হলে ডাঙায় ওঠে। আমি এখনও জানি না জল বিষাক্ত হয়েছে কি না। অক্সিজেন পাব না বলে জামাকাপড় বদল করি না।” তিনি যে দলের প্রতি কতটা আনুগত্য সেটা বুঝিয়েছেন। এত কঠিন সময়ের পরও দল যে তিনি ছাড়েননি আবারও সেই একই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আমার জীবন তিনটে ভাগে ভাগ করেছি। ছাত্র জীবন, কর্পোরেট লাইফ, মন্ত্রীসভার পদাধিকারী, সুতরাং আমায় মুছে দেওয়া সহজ হবে না।” আত্মবিশ্বাসী পার্থ এও জানিয়েছেন, “আমি এইটুকু বলতে পারি, আমি অবসরপ্রাপ্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নই। সক্রিয় নই। জেলে বসেও সক্রিয় ছিলাম। কোনও দিনই নিষ্কৃয় ছিলাম না।”

দলের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে?

পার্থর পাল্টা উত্তর, “আমি কি রেখেছি যোগাযোগ ? আমার কাছে অন্তত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীত নন, বাস্তব। আমি দলের প্রতি আনুগত্য। অভিষেককে পুত্রসম মানুষ করেছি। সে যদি কোনওদিন মুখ্যমন্ত্রী হয় আমি আশ্চর্য হব না।”

তিনি যদি বেহালা থেকে দাঁড়ান মানুষ মেনে নেবে?

পার্থর স্পষ্ট উত্তর, “জেল খাটার থেকেও কি ভয়ঙ্কর হবে? অন্ধকার কুপে থাকার কি দরকার, ভয়ঙ্কর অভিযুক্তদের সঙ্গে থাকার থেকেও কি ভয়ঙ্কর? আমার তো লস অফ ফেস হয়নি। মানুষ প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে হবে। ওঁরা জিতিয়েছে।”