SIR Case: নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে ভোটার তালিকায় নাম থাকবে না, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কমিশন

SIR Case In Supreme Court: সেই ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা ডিপোর্ট করার অধিকার কমিশনের নেই। এই শুনানি প্রক্রিয়া আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের শুরু হবে প্রধান বিচারপতির কোর্টে। তৃণমূলের রাজ্যসভার দুই সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। সেই মামলায় তাঁদের হয়ে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল।

SIR Case: নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে ভোটার তালিকায় নাম থাকবে না, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কমিশন
সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 14, 2026 | 10:39 AM

 নয়া দিল্লি: নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে ভোটার তালিকায় নাম থাকবে না। এবার  সুপ্রিম কোর্টে জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে কমিশনের আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন অবস্থান স্পষ্ট করে জানান,  নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে ERO যদি কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত নেন, তার ফলে সেই ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন, এ বিষয়টি চূড়ান্ত হবে না। কারণ নাগরিকত্ব নির্ধারণের চূড়ান্ত দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের।

SIR সংক্রান্ত শুনানির সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, কেন্দ্রীয় সরকার কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব নির্ধারণ না করা পর্যন্ত সেই ব্যক্তির ভোটাধিকার কি থাকবে না?

জবাবে কমিশনের আইনজীবী জানান,  এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাগরিকত্ব খতিয়ে দেখার মূল লক্ষ্য যারা নাগরিক নয়, তাদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া নিশ্চিত করা।

সেই ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা ডিপোর্ট করার অধিকার কমিশনের নেই। এই শুনানি প্রক্রিয়া আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের শুরু হবে প্রধান বিচারপতির কোর্টে। তৃণমূলের রাজ্যসভার দুই সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। সেই মামলায় তাঁদের হয়ে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। এসআইআর সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশ কমিশন সমাজমাধ্যমে দিচ্ছে বলে আদালতে জানান তিনি। হোয়াট্‌সঅ্যাপের মাধ্যমে এসআইআর সংক্রান্ত কাজের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বিএলও-দের। উল্লেখ্য এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি এই বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন। কমিশনের তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। এসআইআরের শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা প্রমাণ দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগও করেন তিনি।