AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

India-US: কুরুচিপূর্ণ, অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন ট্রাম্প, ভারতকে নরক বলতেই কড়া জবাব নয়া দিল্লির

India Slams Donald Trump: বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ট্রাম্পের মন্তব্যকে তাঁর অজ্ঞতার পরিচয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, "আমরা মন্তব্যগুলো দেখেছি। জবাবে মার্কিন দূতাবাসের জারি করা পরবর্তী বিবৃতিও দেখেছি। মন্তব্যগুলো স্পষ্টতই অজ্ঞতাপ্রসূত, অনুপযুক্ত এবং কুরুচিপূর্ণ।

India-US: কুরুচিপূর্ণ, অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন ট্রাম্প, ভারতকে নরক বলতেই কড়া জবাব নয়া দিল্লির
মোদী-ট্রাম্পImage Credit: Tv9 Bangla
| Updated on: Apr 24, 2026 | 8:06 AM
Share

নয়া দিল্লি: ভারতকে নরকের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতের সঙ্গে ‘হেলহোল’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। আমেরিকায় কর্মরত ভারতীয়দের নাম না করে গ্যাংস্টারও বলেছেন। এককথায় ভারতকে, ভারতের নাগরিককে অপমান করেছেন। তারপর থেকেই কড়া সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ট্রাম্পের এই বিতর্কিত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ভারতের কী অবস্থান হয়, সেই দিকেই নজর ছিল সব মহলের। অবশেষে মুখ খুলেছে ভারত। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে নয়া দিল্লি। ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ বলেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য

গতকাল ডোনাল্ট ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন। একটি রেডিও পডকাস্টের ভিডিয়ো। ওই ভিডিয়োতে মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে তাঁকে বলতে শোনা যায়। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা করেন। সেই প্রসঙ্গেই চিন ও ভারতের কথা উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ” আমেরিকায় একটি শিশু জন্ম নিলে সঙ্গে সঙ্গে নাগরিকত্ব পেয়ে যায়। পরে তারা চিন, ভারত বা পৃথিবীর অন্য কোনও ‘হেলহোল’ থেকে পুরো পরিবারকে নিয়ে আসে।” এই হেলহোল শব্দটির বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় নরককুণ্ড। অর্থাৎ নরক বলা হয়েছে ভারতকে। এখানেই শেষ নয় ভারত ও চিনের নাগরিকদের ‘ল্যাপটপ হাতে গুণ্ডা’ বলেও বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। অর্থাৎ আমেরিকায় কর্মরত ভারত ও চিনের নাগরিকদেরই নাম না করে গুণ্ডা বা গ্যাংস্টার বলা হয়েছে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরই বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই পডকাস্টটি পুরনো। আবার নতুন করে কেন শেয়ার করলেন ট্রাম্প সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কড়া সমালোচনার মুখেও পড়েন। তারপরই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য একটি বিবৃতি জারি করা হয় মার্কিন দূতাবাসের তরফে। সেখানে ভারতকে মহান ও বন্ধু দেশ বলে বর্ণনা করা হয়।

ভারতের জবাব

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ট্রাম্পের মন্তব্যকে তাঁর অজ্ঞতার পরিচয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা মন্তব্যগুলো দেখেছি। জবাবে মার্কিন দূতাবাসের জারি করা পরবর্তী বিবৃতিও দেখেছি। মন্তব্যগুলো স্পষ্টতই অজ্ঞতাপ্রসূত, অনুপযুক্ত এবং কুরুচিপূর্ণ। এগুলো অবশ্যই ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে না, যা দীর্ঘকাল ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং অভিন্ন স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।”

ট্রাম্পের এই পোস্ট বা মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন। ট্রাম্পের মন্তব্যে তারা গভীরভাবে মর্মাহত বলে জানিয়েছেন। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে,”মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারতীয় ও চিনের নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই বিদ্বেষপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত।” সংস্থাটি ট্রাম্পকে এই পোস্টটি মুছে ফেলতে এবং আমাদের মহান দেশে ‘এশীয় আমেরিকানদের অবিস্মরণীয় অবদানকে স্বীকৃতি দিতে’ আহ্বান জানিয়েছে।

Follow Us