AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Railway Rules: টিকিট থাকবে একই, পরেরদিনও ওঠা যাবে ট্রেনে! রেলের এই নিয়ম জানেন না অনেকেই…

Break Journey Rules: মাঝপথে নেমে গেলেই ব্রেক জার্নির সুবিধা পাওয়া যায় না। যে স্টেশনে নামবেন, সেখানে স্টেশন মাস্টার অথবা টিকিট কালেক্টরের কাছ থেকে টিকিটে প্রয়োজনীয় অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে, তবেই সেটি ব্রেক জার্নি হিসাবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে টিকিটে সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কোড এবং সরকারি সিল থাকা বাধ্যতামূলক।

Railway Rules: টিকিট থাকবে একই, পরেরদিনও ওঠা যাবে ট্রেনে! রেলের এই নিয়ম জানেন না অনেকেই...
ফাইল চিত্র।Image Credit: PTI
| Updated on: Oct 22, 2026 | 2:04 PM
Share

নয়া দিল্লি: দূরপাল্লার ট্রেনে সফর করছেন, মাঝপথে কোনও শহরে কয়েক দিন কাটিয়ে আবার সেই ট্রেনেই সফর করতে চান? এটাও কিন্তু সম্ভব। অনেকেই জানেন না ভারতীয় রেলের এই বিশেষ নিয়ম। এর নাম ‘ব্রেক জার্নি’। এই নিয়মের সুবিধা থাকলে মাঝপথে যাত্রা থামিয়ে পরে একই টিকিটে বাকি পথের সফর করা যায়। ফলে নতুন করে টিকিট কাটার প্রয়োজন পড়ে না।

কী এই ‘ব্রেক জার্নি’?

ভারতীয় রেলের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট দূরত্বের বেশি পথের যাত্রায় মাঝপথে বিরতি নেওয়ার সুযোগ থাকে। কোনও যাত্রী যদি একটানা ৫০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের টিকিট কাটেন, তাহলে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে পথে কোনও স্টেশনে যাত্রা বিরতি নিতে পারেন। তবে এই বিরতি কখন নেওয়া যাবে এবং কত দিন থাকা যাবে, তা জানা জরুরি।

নিয়ম অনুযায়ী, যাত্রাপথের মোট দূরত্ব ৫০০ কিলোমিটারের বেশি হলে কোনও একটি স্টেশনে সর্বোচ্চ দু’দিনের জন্য যাত্রা বিরতি নেওয়া যায়। তবে যাত্রা শুরুর স্টেশন থেকে অন্তত ৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পরেই এই বিরতি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আবার, যাত্রার দূরত্ব ১,০০০ কিলোমিটারের বেশি হলে পথে দু’বার যাত্রা বিরতি নেওয়া যায়।

ব্রেক জার্নি নিতে হলে কী করতে হবে?

মাঝপথে নেমে গেলেই ব্রেক জার্নির সুবিধা পাওয়া যায় না। যে স্টেশনে নামবেন, সেখানে স্টেশন মাস্টার অথবা টিকিট কালেক্টরের কাছ থেকে টিকিটে প্রয়োজনীয় অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে, তবেই সেটি ব্রেক জার্নি হিসাবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে টিকিটে সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কোড এবং সরকারি সিল থাকা বাধ্যতামূলক।

এই অনুমোদন না করালে টিকিটের বৈধতা নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকী, নিয়ম ভাঙলে জরিমানার মুখেও পড়তে হতে পারে যাত্রীকে। তাই মাঝপথে যাত্রা থামানোর পরিকল্পনা থাকলে আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট স্টেশনের রেলকর্মীদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যে স্টেশন পর্যন্ত টিকিটের সংরক্ষণ বা রিজার্ভেশন করা রয়েছে, তার আগের কোনও স্টেশনে নেমে এই সুবিধা নেওয়া যাবে না।

কোন ট্রেনে এই সুবিধা পাওয়া যায় না?

এই সুবিধা কিন্তু সব স্টেশনে পাওয়া যায় না। রাজধানী এক্সপ্রেস, শতাব্দী এক্সপ্রেস এবং জনশতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনে সাধারণত ব্রেক জার্নির সুবিধা পাওয়া যায় না। এই ট্রেনগুলিতে নির্দিষ্ট গন্তব্যের ভিত্তিতে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। ফলে অন্য সাধারণ ট্রেনের নিয়মের সঙ্গে এই ট্রেনগুলির নিয়মের পার্থক্য থাকে।

এ ছাড়া,  টিকিট কাটার সময়ই যাত্রা বিরতি নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানাতে হবে। রিজার্ভেশন হয়ে যাওয়ার পর এই বিষয়ে জানালে তা গ্রহণযোগ্য হবে না বলেই রেলের নিয়মে উল্লেখ রয়েছে। অনলাইনে কাটা ই-টিকিটে সরাসরি ব্রেক জার্নির সুবিধা পাওয়া যায় না। তাই অনলাইনে টিকিট কাটলে মাঝপথে যাত্রা বিরতি নেওয়ার আগে রেলের বর্তমান নিয়ম যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

মাঝপথে নামলে কি আগের আসনই পাবেন?

ব্রেক জার্নি নিলে আরও একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। স্লিপার বা এসি কামরায় যাত্রা করার সময় মাঝপথে নেমে গেলে, পরে ট্রেনে উঠলে আগের আসন বা বার্থটি আপনার জন্য সংরক্ষিত থাকবে, এমন কোনও গ্যারান্টি নেই।

Follow Us