AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Strait of Hormuz: আমেরিকায় ট্রাম্পের দল ধাক্কা খেতেই ভারতের জন্য হরমুজ খুলল ইরান, লাফিয়ে বাড়ল সেনসেক্সও

India Stock Market Rally: বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে বিদেশি লগ্নি ফেরায় ছোট এবং মাঝারি লগ্নিকারীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। গত কয়েক মাসে শেয়ার বাজারে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তাতে ছোট লগ্নিকারীরাই মূলত সমস্যায় পড়েছিলেন। তাঁদের সেই অস্বস্তি অন্তত কিছুটা কমল। দ্বিতীয়ত, এফআইআই-রা শেয়ার বাজারে ফেরায় বেশ কিছুদিন বাজার তেজি থাকার সম্ভাবনা। অতীতে সেরকমই দেখা গিয়েছে।

Strait of Hormuz: আমেরিকায় ট্রাম্পের দল ধাক্কা খেতেই ভারতের জন্য হরমুজ খুলল ইরান, লাফিয়ে বাড়ল সেনসেক্সও
ফাইল ফোটোImage Credit: PTI
| Updated on: Nov 06, 2026 | 9:23 PM
Share

নয়াদিল্লি: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। আর ট্রাম্পের দলের পরাজয়ের পরই ভারতের জাহাজের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান। ইরানের আশ্বাস, ভারতের জাহাজ কোনও বাধা ছাড়াই হরমুজ পার হতে পারবে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমল। আগামী কয়েকদিনে দাম আরও কিছুটা কমতে পারে। তারপরই সেনসেক্স লাফিয়ে বেড়েছে। বিদেশি লগ্নিকারীদের হাত ধরে একদিনে ভারতে ঢুকেছে ৯ হাজার কোটি টাকা।

ফরেন ইনস্টিটিটিউশনাল ইনভেস্টার বা এফআইআই-রা গত দু-সপ্তাহ ধরেই ভারতে টাকা ঢালা শুরু করেছে। গত দু- সপ্তাহে এফআইআই-রা কমবেশি ৪৭ হাজার কোটি টাকা ভারতে ঢেলেছে। তবে গত ৬ মাসে ভারতের মূলধনী বাজার থেকে যে লগ্নি বেরিয়ে গিয়েছে, সেটা কিন্তু বিশাল। কমবেশি ৩ হাজার ৮০০ কোটিু ডলার। কয়েক লক্ষ কোটি টাকা। গত দু-বছরের নিরিখে দেখলে সেটা কমবেশি ৬৪ বিলিয়ন ডলার। সেই লগ্নির একটা বড় অংশ ফিরলে তবেই শেয়ার বাজারে স্থিতাবস্থা আসবে। সেনসেক্স, নিফটি আগের মতো পারফর্ম করবে। সেটা হবে কি না, এখনই বলা সম্ভব নয়।

সোনার বাজারও একটা বড় ফ্যাক্টর। সোনার দাম এদিনও কিছুটা বাড়ল। ধনতেরাসে সোনা কেনার প্ল্যান থাকলে এটা খারাপ খবর। তবে বাজারের পক্ষে ততটাও খারাপ নয়। বিশেষ করে যাঁরা সোনায় লগ্নি করে রেখেছেন, তাঁদের জন্য সুখবর তো বটেই। গত তিন- চার মাসে সোনার দাম হয়ত কমেছে, নয়তো একই জায়গায় থমকে। সেখান থেকে গত দু-দিনে দাম কিছুটা চড়েছে।

এসব কি শুধু ট্রাম্পের হার বা মিড-টার্ম ফলের জোর? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তা পুরোপুরি নয়। রেকর্ড জিএসটি কালেকশন, বাম্পার কেনাকাটা, অনলাইন শপিং কোম্পানিগুলোর রেকর্ড বিক্রি। সঙ্গে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর প্রত্যাশার তুলনায় ভালো ফল। সব মিলিয়ে বাজারের আর্থিক বাজারে ভরসা পাচ্ছেন লগ্নিকারীরা। সেটাই বাজারকে টেনে তুলল। মার্কিন ইলেকশন, ট্রাম্পের দলের ধাক্কা – এসবও অন্যতম ফ্যাক্টর। ট্রাম্পের ধাক্কায় ভারতের এটুকু লাভ হয়েছে, অন্তত আজকের নিরিখে বলাই যায়। গত কয়েক মাস ধরে যে লগ্নি ভারতের বাইরে গিয়েছিল, তা আবার ফিরে আসছে। এটা কতদিন চলবে, আদৌ দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে বিদেশি লগ্নি ফেরায় ছোট এবং মাঝারি লগ্নিকারীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। গত কয়েক মাসে শেয়ার বাজারে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তাতে ছোট লগ্নিকারীরাই মূলত সমস্যায় পড়েছিলেন। তাঁদের সেই অস্বস্তি অন্তত কিছুটা কমল। দ্বিতীয়ত, এফআইআই-রা শেয়ার বাজারে ফেরায় বেশ কিছুদিন বাজার তেজি থাকার সম্ভাবনা। অতীতে সেরকমই দেখা গিয়েছে। এই সময় ছোট ও মাঝারি লগ্নিকারীদের সামনে মুনাফার সুযোগ আসতে পারে। তিন নম্বর পয়েন্টটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হলে ছোট – বড় লগ্নিকারীরা টাকা ঢালা বাড়িয়ে দেন। যা অর্থনীতির পক্ষে ভালো। সবমিলিয়ে ট্রাম্পের যখন গলা শুকিয়ে আসছে, তখন ভারতের আর্থিক বাজারে তাজা হওয়া।

Follow Us