IPAC Case-Supreme Court: IPAC তদন্তে মমতার বাধা! সিবিআই তদন্ত চায় ED, ‘সরকার তো বদলেছে’, সওয়াল মানেকার
Supreme Court: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন, আইপ্যাকের অফিসে ইডি তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় ঘটনাস্থলে হাজির হন মমতা। পরে তাঁকে একটি সবুজ ফাইল হাতে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সহকারী কয়েকজন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট পিটিশন করেছিল ইডি।

নয়া দিল্লি: রাজ্যে আইপ্যাক (IPAC)-মামলার তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সোমবার সেই মামলায়, ইডি স্পষ্ট জানাল,আদালতই ঠিক করুক সিবিআই তদন্ত হবে কি না। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামীর বক্তব্য, সরকার বদলেছে, তাই রাজ্যই ঠিক করতে পারে, কাকে এই মামলার তদন্তভার দেওয়া হবে।
কী এই মামলা?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন, আইপ্যাকের অফিসে ইডি তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় ঘটনাস্থলে হাজির হন মমতা। পরে তাঁকে একটি সবুজ ফাইল হাতে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সহকারী কয়েকজন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট পিটিশন করেছিল ইডি। মঙ্গলবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে ছিল সেই মামলার শুনানি।
রাজনৈতিক কারণে করা হয়েছে, শুনতে চাই না: তুষার মেহতা
বিচারপতি মিশ্র যখন বলেন, ‘সিবিআই-কে রেফার করতেই পারেন।’ তখন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, “রাজ্য় সরকার রাজনৈতিক কারণে এটা করেছে, এমন কোনও অভিযোগ শুনতে চাই না। আমরা চাই আদালত ঠিক করুক। এমনটা যেন বলা না হয় যে রাজ্যে সরকার বদলের পর সিবিআই-এর হাতে মামলা হস্তান্তর করা হয়েছে।”
আদালত ঠিক করুক: ইডি
ইডি-র তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু বলেন, “আদালত ঠিক করুক একজন মুখ্যমন্ত্রী অপরাধ করলে, তার তদন্ত সিবিআই করবে কি না। যিনি একজন মুখ্যমন্ত্রী, একইসঙ্গে একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও, তিনি যদি অপরাধ করেন, তাহলে সিবিআই তদন্ত করবে কি না, সেটা আদালত ঠিক করুক।”
ইডি-র করা মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী। আগামী ২ সেপ্টেম্বর ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।
