AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

IPAC in Supreme Court: আইপ্যাক-কাণ্ডে ‘শান্তিপূর্ণ তল্লাশি হয়েছে’ বলা ইডি সুপ্রিম কোর্টে বলল, ‘বল প্রয়োগ করেছে’

ED Submits Rejoinder on IPAC Case: আইপ্য়াক মামলার শুনানি চলাকালীন রাজ্যের জমা দেওয়া হলফনামায় প্রশ্ন তোলা হয়েছিল ইডির ক্ষমতা নিয়ে। কোন আইনি বৈধতায় এই তদন্ত, প্রশ্ন উঠেছিল সেই নিয়েও। যার পাল্টা বৃহস্পতিবার ইডি তাঁদের তদন্তকারীদের 'মৌলিক অধিকারের' যুক্তি তুলে ধরে।

IPAC in Supreme Court: আইপ্যাক-কাণ্ডে 'শান্তিপূর্ণ তল্লাশি হয়েছে' বলা ইডি সুপ্রিম কোর্টে বলল, 'বল প্রয়োগ করেছে'
সুপ্রিম কোর্ট Image Credit: নিজস্ব চিত্র
| Edited By: | Updated on: Feb 19, 2026 | 11:42 PM
Share

নয়াদিল্লি: আইপ্য়াক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জবাবি হলফনামা জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২৪ ঘণ্টা আগে এই হলফনামার জন্য পিছিয়ে যায় শুনানি। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহতার বেঞ্চে শুনানির শুরুতেই কেন্দ্রের তরফে উপস্থিত সলিসিটর জেনারেল আদালতকে জানান যে, এই মামলার প্রেক্ষিতে তারা একটি পাল্টা হলফনামা পেশ করবেন। তাই সেই হলফনামা পেশের জন্য় দেওয়া হয় বাড়তি সময়। ২৪ ঘণ্টা পর তা পেশ করে ইডি।

হলফনামায় কী জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?

রাজ্য় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতেই তল্লাশি বন্ধ করতে বাধ্য হয় ইডি অফিসাররা, হলফনামায় এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি, কোনও তদন্তকারী সংস্থা কখনওই তল্লাশি চলাকালীন কোনও তৃতীয় ব্যক্তিকে সেখানে প্রবেশ করতে এবং জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারে না, সেটাও উল্লেখ করেছে ইডি।

এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, তদন্তের পরেই ইডি তরফে জারি করা পঞ্চনামায় বলা হয়েছিল, তল্লাশি শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে জবাবি হলফনামায় বদলে গেল সেই দাবি। সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, তদন্তকারীদের উপর বল প্রয়োগ করা হয়েছে। ইডির আরও অভিযোগ, তদন্তকারী আধিকারিকদের ভয় দেখানো, তাদের অন্যায় ভাবে আটক করে রাখা এবং আইন মোতাবেক তাদের কাজ করার ক্ষেত্রে রাজ্য প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যা ইডির মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করার সমান।

আইপ্য়াক মামলার শুনানি চলাকালীন রাজ্যের জমা দেওয়া হলফনামায় প্রশ্ন তোলা হয়েছিল ইডির ক্ষমতা নিয়ে। কোন আইনি বৈধতায় এই তদন্ত, প্রশ্ন উঠেছিল সেই নিয়েও। যার পাল্টা বৃহস্পতিবার ইডি তাঁদের তদন্তকারীদের ‘মৌলিক অধিকারের’ যুক্তি তুলে ধরে।

উল্লেখ্য, এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আর্জি জানিয়েছিল ইডি। তাঁদের দাবি ছিল, এফআইআর দায়ের হওয়ার আগে বা তদন্ত চলাকালীন যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তাঁর বক্তব্য শোনার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। বৃহস্পতিবার জমা দেওয়া হলফনামায় সেই যুক্তির পক্ষে একাধিক মামলার রেফারেন্স উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এছাড়াও, নিয়ম না মেনে তল্লাশি করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইডির দাবি, আধিকারিকরা তাঁদের আইকার্ড এবং তল্লাশির অনুমতিরপত্র দেখিয়েই আইপ্যাক অফিসের ভিতরে ঢোকেন। বরং রাজ্য প্রশাসন নিজেদের ক্ষমতা বলে মুখ্যমন্ত্রীকে ভিতরে ঢুকতে এবং তদন্তের সঙ্গে যুক্ত নথি চুরি করতে সাহায্য করে।