Jantar-Mantar Protest: যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভে ‘না’ পুলিশের, শীর্ষ আদালতের পুরনো রায়ের উল্লেখ করে মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টেই
Jantar Mantar Protest Ban Petition in Supreme Court: মামলাকারীর বক্তব্য, এর আগে শীর্ষ আদালতই যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এমনকী, বিকল্প বিক্ষোভস্থল হিসেবে রামলীলা ময়দানকে উপযুক্ত নয় বলেও উল্লেখ করেছিল আদালত।

নয়া দিল্লি: যন্তর-মন্তরে (Jantar-Mantar Protest) বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ(Delhi Police)। এবার এই নিয়ে মামলা গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে বাতিল করে রাজধানীর অন্য তিনটি জায়গায় প্রতিবাদ কর্মসূচির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। বিকল্প বিক্ষোভস্থলগুলির অবস্থান এবং তা কতটা উপযুক্ত, এই নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে মামলার আবেদনে।
যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভে বিধিনিষেধ
গত জুলাই মাসে বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল যন্তর মন্তর। ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শুধু ককরোচদের আন্দোলন নয়, গত কয়েক বছরে বিরোধী দলগুলির তরফে একাধিক বিক্ষোভের ছবি দেখা গিয়েছে এই যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar)। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতেও সেই যন্তর মন্তরই হয়ে উঠেছে এপিসেন্টার। তার মাঝেই বিক্ষোভস্থল হিসেবে যন্তর মন্তরকে ‘ডিনোটিফাই’ করে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। অর্থাৎ যন্তর মন্তরে আর কেউ বিক্ষোভ দেখাতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়।
নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, দিল্লির রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ডে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা যাবে।
সুপ্রিম কোর্টে কী অভিযোগ?
দিল্লি পুলিশের এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মামলাকারীর বক্তব্য, এর আগে শীর্ষ আদালতই যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এমনকী, বিকল্প বিক্ষোভস্থল হিসেবে রামলীলা ময়দানকে উপযুক্ত নয় বলেও উল্লেখ করেছিল আদালত। এই পরিস্থিতিতে যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করে অন্য জায়গা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারী।
শুধু তাই নয়, নতুন করে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলগুলির অবস্থান নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রস্তাবিত বিক্ষোভস্থলগুলি দিল্লির আবর্জনা ফেলার জায়গা বা ল্যান্ডফিল এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত। বুরারি এবং সিভিডি গ্রাউন্ড আবর্জনার স্তুপের কাছাকাছি অবস্থিত। ফলে সেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষের জমায়েত কতটা উপযুক্ত হবে, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
