Kakoli Ghosh Dastidar: স্ট্যান্ডিং কমিটির পদও হাতছাড়া মমতা তৃণমূলের, কীর্তি আজ়াদের জায়গা নিলেন কাকলি, TMC সাংসদ হিসেবেই পেলেন গুরুদায়িত্ব
Parliamentary Standing Committee reshuffle: রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বিভিন্ন মন্ত্রক সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলি পুনর্গঠন করার পরই এই রদবদল করা হয়েছে। এতদিন এই একটি কমিটির চেয়ারম্যান পদ ছিল মমতা তৃণমূলের। এখন আর একটা চেয়ারম্যানের পদও থাকল না মমতা তৃণমূলের হাতে।

নয়া দিল্লি: সংসদের স্ট্যান্ডিং কমিটিতে রদবদল। সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানের পদ হারাল মমতা তৃণমূল (Mamata TMC)। খোয়া গেল সার, রাসায়নিক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির পদ। আগে চেয়ারম্যানের পদে ছিলেন কীর্তি আজ়াদ (Kirti Azad)। এবার সেই পদের দায়িত্ব দেওয়া হল এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। এখানে একটা বিষয় উল্লেখযোগ্য। এনসিপিআই-কে এখনও সংসদীয় দলের মর্যাদা দেওয়া হয়নি। খাতায়-কলমে এখনও কাকলিরা তৃণমূল সাংসদ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসিপিআই-তে (NCPI) যোগ দিলেও তৃণমূল সাংসদ হিসেবেই স্ট্যান্ডিং কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন কাকলি ঘোষদস্তিদার।
অভিষেকের আবেদন খারিজ
দিন কয়েক আগেই তৃণমূল থেকে এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দেওয়া সাংসদদের কোনও স্ট্যান্ডিং কমিটিতে যাতে জায়গা না দেওয়া হয়, সেই আর্জি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি লিখেছিলেন মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তৃণমূলকে লোকসভায় আগের মতোই একটি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদ যেন দেওয়া হয়, সেই বিষয়েও আর্জি জানিয়েছিলেন অভিষেক। কিন্তু, অভিষেকের আবেদন নাকচ করে দিয়ে সেই এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের মধ্যে থেকেই কাকলিকেই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হল।
রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বিভিন্ন মন্ত্রক সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলি পুনর্গঠন করার পরই এই রদবদল করা হয়েছে। এতদিন এই একটি কমিটির চেয়ারম্যান পদ ছিল মমতা তৃণমূলের। এখন আর একটা চেয়ারম্যানের পদও থাকল না মমতা তৃণমূলের হাতে।
গুরুদায়িত্ব পেয়ে কী বলছেন কাকলি?
এই বিষয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, “স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যানের গুরুদায়িত্ব রয়েছে। জনগণের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে কীরকম কাজ হচ্ছে দেখা। এক কমিটিটা সার, রাসায়নিক সংক্রান্ত। ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান। এখানে বহু অংশে কৃষক এই সার ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে দেশের স্বার্থে কাজ করতে পারাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অধ্যক্ষ মহাশয়, প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেছেন বলেই দায়িত্ব দিয়েছেন। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। মানুষের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে কাজ করব।”
এই বদলকে অনৈতিক বলছেন সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল। তিনি বলেন, “এটা হওয়ারই কথা ছিল। যাঁরা ওদিকে চলে গিয়েছে, তাঁদের কোনওরকম শাস্তি বা কিছুই করবে না বর্তমান সরকার। ডিলিমেটশনের জন্য তাঁদের সন্তুষ্ট করার জন্য যে অনৈতিকভাবে এটা দেওয়া হবে, তা জানাই ছিল। এটা করা উচিত নয়।”
