
নয়াদিল্লি: গত চার বছর ধরে আয়োজিত হয়ে আসছে কাশি-তামিল সঙ্গমম। একদিকে পুরাণ মতে, পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো গ্রাম — কাশির সংস্কৃতি, অন্যদিকে দ্রাবিড়ীয় সংস্কৃতি। এই দুইয়ের মেলবন্ধনই হল কাশি-তামিল সঙ্গমম। প্রতি বছর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের উদ্যোগেই আয়োজিত হয় এই বার্ষিক সম্মেলনটি। প্রতিবারের ন্যয় এবারও তাতে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপর নিজের মনে ভাব প্রকাশ করেছে লেখার হরফে।
বৃহস্পতিবার এই সাংস্কৃতিক সম্মেলনে ঐক্য়বদ্ধ ভারতের প্রতীক হিসাবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘কাশি-তামিল সঙ্গমম আসলেই ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে তৈরি হওয়া ঐক্য়ের ছবি।’ পোঙ্গলের শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের সমাজমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘কাশি-তামিল সঙ্গমম একটি প্রাণবন্ত মঞ্চে পরিণত হয়েছে। যা দেশের বিভিন্ন ঐতিহ্য, ভাষা এবং সম্প্রদায়কে একত্রিত করে।’
সেই মর্মে নিজের সমাজমাধ্য়মে একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি হওয়া নিজের সোমনাথ সফরের প্রসঙ্গ তাতে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লিখেছেন, ‘সোমনাথ সফর সূত্রে এমন অনেকের সঙ্গে দেখা হল, যাঁরা আসলেই কাশি-তামিল সঙ্গমমকে জিইয়ে রেখেছেন। তাই আজ পোঙ্গালের দিনে আমি সেই কাশি-তামিল সঙ্গমম নিয়ে নিজের দু-চার কথা তুলে ধরলাম।’
‘কাশি-তামিল সঙ্গমম এবং এক ভারত’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী কাশি এবং তামিল সংস্কৃতির মধ্য়ে ঐতিহাসিক ও সভ্যতার সংযোগের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, ‘কাশি ও তামিলনাড়ুর মানুষের মধ্য়ে আত্মীক যোগ রয়েছে। কাশির কাছে বিশ্বনাথ রয়েছেন, তামিল মানুষদের কাছে রয়েছে রামেশ্বরাম। এই দুই স্থানই বিশ্বের সাংস্কৃতিক সঙ্গম এবং ভারতীয় নীতিশাস্ত্রের একটি বিশেষ স্থানের অধিকারী।’ শুধু নিজের লেখা নয়। সাম্প্রতিককালে নিজের মন কি বাতেও এই কাশি-তামিল সংস্কৃতির কথা তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।